প্রতিবেদন: বিধসনসভা ভোটের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছিল গত ৪ মে। সেই ভোটের দল যেমন হেরেছিল, তেমনি নিজের কেন্দ্রেও হেরে যান রাজ্যের প্রভাবশালী মন্ত্রী ডাঃ শশী পাঁজা। কিন্তু তারপর তিন মাসে একবারের জন্য কোথাও প্রকাশ্যে দেখা যায়নি শশীকে। তবে অবশেষে নিভৃতবাস কাটিয়ে বাইরে এলেন মমতা একদা আস্থাভাজন শশী। আর প্রকাশ্যে এসে যা করলেন তাতে তুমুল জল্পনা ছড়াল রাজ্য রাজনীতিতে। সূত্রের খবর, শনিবার তিনি আচমকাই সদ্য তৃণমূলত্যাগী তথা এনসিপিআই সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ক্লিনিকে যান। সেখানে নাকি তাঁদের মধ্যে একান্তে ঘন্টা দুয়েক কথা হয়েছে। তবে কী নিয়ে কথা, সে সব কোনও তরফেই খোলসা করা হয়নি। তবে এই সাক্ষাতে জল্পনা ছড়িয়েছে, এবার অনেকের মতোই নেত্রীর হাত ছাড়তে চলেছেন একদা আস্থাভাজন শশীও ।জল্পনা উস্কে দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার নানা পোস্ট। কোনও কোনও পোস্টে দাবি করা হয়েছে, শশী তৃণমূল ছাড়ছেন। আর তিনি নিজে কোনও উত্তর না দেওয়ায় জল্পনা আরও বেড়েছে। সব মিলিয়ে শশীর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। এর আগে সদ্য বিধানসভা নির্বাচনে শ্যামপুকুর কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী পূর্ণিমা চক্রবর্তীর কাছে ১৪,৬৩৩ ভোটে হেরে যান তৃণমূলের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। শশীর কন্যা পূজা পাঁজা কলকাতা পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর ছিলেন। ভোটে হারের পর শশীকে প্রকাশ্যে আর দেখা যায়নি। এমনকী ২১ জুলাই কালীঘাট তৃণমূলের সমাবেশে মেয়েকে দেখা গেলেও মার দেখা মেলেনি।

Be the first to comment