প্রতিবেদন: প্রবল জনমতের চাপে পড়ে গৃহস্থ বাড়িতে বাধ্যতামূলক ভাবে স্মার্ট মিটার (SMART METER) বসানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে রাজ্য সরকার। কিন্তু তবে স্মার্ট মিটার থেকে সরছে না প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী স্মার্ট মিটার বসবে তবে আপাতত সেটা শুধু সরকারি অফিসে। সেপ্টেম্বর থেকেই এই স্মার্ট মিটার ব্যবস্থা চালু হয়ে সমস্ত সরকারি দফতরে। ফলে সরকারি দফতরগুলিতে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে চলেছে তা বলাই বাহুল্য। বিদ্যুৎ দফতরের তথ্য বলছে, প্রায় ৪৪ হাজার সরকারি অফিসে চালু হয়ে যাবে এই প্রিপেড স্মার্ট মিটার। ইতিমধ্যেই অধিকাংশ ক্ষেত্রে নতুন মিটার বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু একশো শতাংশ ক্ষেত্রে তা এখনও সম্ভব হয়নি। কিন্তু সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী সেপ্টেম্বরের এক তারিখ থেকে এই ব্যবস্থা কার্যকর করার কথা। হাতে কিন্তু আর মাত্র একটা দিন। ফলে কীভাবে তা সম্ভব হবে বলা যাচ্ছে না। এর জন্য পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার অন্দরে এখন তুমুল ব্যস্ততা। সংস্থা সূত্রে খবর, আপাতত প্রায় ৪৪ হাজার সরকারি অফিসে এই ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। রাজ্যে সরকারি দফতর ও অফিস মিলিয়ে সংখ্যাটা প্রায় ৯০ হাজার।সরকারের পরিকল্পনা, ধাপে ধাপে সমস্ত সরকারি অফিসকেই প্রিপেড স্মার্ট মিটারের আওতায় নিয়ে আসা। অর্থাৎ, শেষ পর্যন্ত ১০০ শতাংশ সরকারি দফতরেই এই ব্যবস্থা কার্যকর করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। তবে কবে এই কাজ সম্পূর্ণ হবে এনিয়ে নির্দিষ্ট ভাবে কিছু বলা হয়নি। মূলত, সরকারি দফতরগুলিতে বিদ্যুতের খরচে রাশ এবং বিল পরিশোধের প্রক্রিয়াকে আরও নিয়ন্ত্রন করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। সেই অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরগুলির প্রধান, রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং জেলাশাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

Be the first to comment