রোজদিন ডেস্ক: সিঙ্গুরে টাটা সংস্থার ছোট মোটর গাড়ি র কারখানা তদানীন্তন বাম সরকারের জমি অধিগ্রহণ নিয়ে এককাট্টা হয়েছিলেন তখনকার সব বিরোধী রাই। সিঙ্গুর আন্দোলনে তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা ব্যানার্জি পাশে পেয়েছিলেন কংগ্রেস, একাধিক বামপন্থী দল, এমনকি বিজেপি কেও।
ঘটনা চক্রে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির পর এখন রাজ্যে ক্ষমতাসীন বিজেপি।। রাজ্যে বিপুল বেকারত্ব মেটাতে, কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে তারা এখন শিল্পায়ন কে পাখির চোখ করেছে। মমতা ব্যানার্জি সহ বিরোধী দের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সিঙ্গুর থেকে টাটা দের বিদায়ের পর গত পনের বছরে কোন বড় শিল্প রাজ্যে আসেনি।
বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের শিল্প নীতি ঘোষণা করার পর জানান, সিঙ্গুরে শিল্প ফিরছে!
ভারী গাড়ি উৎপাদন কারী সংস্থা অশোক লেল্যান্ডের সঙ্গে তাঁর এই সব নিয়ে প্রাথমিকভাবে কথাও হয়েছে।
সিঙ্গুরে তাঁরা একটা কিছু করবেন ই বলে জানান।
আর্থিক সমস্যার জন্য শিল্পে উৎসাহ ভাতা এখন না দিতে পারলেও শিল্পায়নের বহু সুযোগ সুবিধা দেওয়ার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে। বড় শিল্পের জন্য পৃথক প্যাকেজ ঘোষণা করে সংস্থা গুলিকে ১২০% অবধি সহায়তা দেওয়া হবে। মহিলা কর্মী দের কর্মসংস্থানে অতিরিক্ত সুবিধা মিলবে।প্রয়োজনে তাঁদের জন্য হস্টেল তৈরি তে রাজ্য অনুদান দেবে।
এই ছাড়া অলাভজনক ক্ষেত্র, হাসপাতাল,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করলেও অতিরিক্ত সুবিধা, ১০০% স্ট্যাম্প ডিউটি ছাড় দেওয়া হবে। বৃহৎ, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও পরিসেবা ক্ষেত্র, সবেতেই ছাড় মিলবে।
অনগ্রসর এলাকায় শিল্পায়নে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে।
এই ছাড়া বন্ধ, রুগ্ন শিল্প পুনরুজ্জীবন, সবুজ বিদ্যুৎ, গবেষণা উন্নয়ন মূলক কাজকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে পনেরটি ক্ষেত্রকে চিহ্নিত ও করা হয়েছে।
রাজ্যের নয়া শিল্পনীতি ঘোষণা নিয়ে এইদিন সিঙ্গুরে শিল্পায়ন নিয়ে সব মহলে চর্চা চলে।
মুখ্যমন্ত্রী তা ঘোষণা র পর ই সমাজ মাধ্যমে বিভিন্ন ছবি ছড়িয়ে পড়ে। যার অন্যতম ছিল সিঙ্গুর আন্দোলনের মঞ্চে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে
বিজেপি নেতা রাজনাথ সিং এর ঘনিষ্ঠ ভাবে কথা বলা।

Be the first to comment