রোজদিন ডেস্ক :
- দেওয়ালি, ধনতেরাসের আগে বড় ঘোষণা। অনেক মন্ত্রীরা মিলে আলোচনা করে এই প্রস্তাব। মন্ত্রিসভায় আনা হয়েছে, তার পর সিদ্ধান্ত।
- দেওয়ালি, ধনতেরাসের পবিত্র সময়ের আগে এই নতুন শিল্প নীতি আমরা ঘোষণা করছি, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।
- রাজ্যে তোলাবাজি বন্ধ হয়েছে। অভিযোগ করলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা।
আগে কোন জমি নীতি ছিল না। - তোলাবাজি করলে অভিযোগ জানান 15 মিনিটে গ্রেফতার। কোনমতেই তোলাবাজি বরদাস্ত নয়, শিল্পপতিদের সঙ্গে আলাপচারিতায় আশ্বাস শুভেন্দু অধিকারীর।
- সরকার ও শিল্পপতি উভয়ই স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ করবেন।
- ২ কোটির বেশি শিক্ষিত বেকার রাজ্যে। বহু পরিযায়ী শ্রমিক অন্য রাজ্যে কাজ করছেন। ৭০/৮০ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক।
- বাম আমলে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য তার নিজের দলের ভেতরেই নীতি প্রয়োগে ব্যর্থ হয়েছিলেন।
- আগের আমলে নীতি ছিল লগ্নি বিরোধী। বাংলার আগে কোন জমির নীতির ছিল না।
- প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিল্পে জমি দিতে চাইতেন না। বর্তমান সরকার লগ্নি র জন্য জমি দিচ্ছে।
- আমরা বিনিয়োগের প্রশ্নে খুবই সদর্থক জমি নিতে ছিল না বলেই মুখ থুবড়ে পড়েছিল বাণিজ্য।
- আমাদের রাজ্যে সব আছে, সমুদ্র, নদী,বনাঞ্চল, খনিজ সম্পদ সহ সব আছে।
- বাম আমলে নন্দীগ্রামে গণ হত্যার মত ঘটনা হয়।
- তাজপুরের গভীর সমুদ্র বন্দর নিয়ে আগের সরকারকে এক হাত নেন মুখ্যমন্ত্রী।
- পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, নানা রকমের অঞ্চল সমৃদ্ধ এই রাজ্য।
- তিনি বলেন গৌতম আদানি ও করন আদানি তাকে বলেছেন যে তাজপুরে এক কাঠা জমি ও সরকারের ছিলনা তো কি করে ওখানে শিল্প হবে।
- এখানে কোন রকম গুন্ডাগিরি বরদাস্ত নয়,হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর।
- আমাদের ধ্বনি, ভরসা ইন, ভয় আউট।
- প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কথা কম, কাজ বেশি। আগে ঘটা করে শিল্প সম্মেলন হলেও কোন শিল্প আসতো না।আমরা কাজ করতে চাই।
- আমাদের ৪ হাজার কোটি আয় বেড়েছে।
- না খাউঙ্গা না খানে দুঙ্গা, এই আমাদের নীতি।
- ইনসেনটিভ এর রূপরেখা
- আমরা জোর করে জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে।
- আমরা ইউপি মহারাষ্ট্র গুজরাট মহারাষ্ট্রের ল্যান্ড পলিসি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি।
- পানাগড়ে ল্যান্ড আছে হরিণঘাটায় ল্যান্ড আছে অনেকগুলো শিল্প তালুকে জমি আছে। রঘুনাথপুরে জমি আছে।
- ল্যান্ড ব্যাংক তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। শিল্পপতিদের জমির ব্যবস্থা করবে রাজ্য সরকার বললেন মুখ্যমন্ত্রী।
- পাঁচ বছরে পাচার হয়ে যাওয়া সমস্ত টাকা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি আছে।
- যাদের হাতে জমি আছে তাঁরা সেখানে বিনিয়োগ করতে চান। জিন্দল গোষ্ঠীর হাতে জমি আছে।
- আগের সরকারের মৌ স্বাক্ষর হয়েছে ১৬ লক্ষ কোটি টাকার।
- আগে মহাসমারোহে শিল্প সম্মেলন হতো কিন্তু শিল্প আসতো না।
- দ্য পাস্ট ইজ পাস্ট লেট আস সে চরৈবেতি
- আগামী কয়েক মাসে ১ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগের আশা।
- সিঙ্গুর নিয়ে কিছু একটা হবে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।
- সাড়ে ছশো কোটি টাকা শিল্প সম্মেলন করতে আগে খরচ হয়েছিল।
- কর্মযোগী প্রকল্প চালু হবে শীঘ্রই।
- কাল সজ্জন জিন্দলকে বলেছি, জানুয়ারিতে যাব, ক্যাম্পাস থেকে কাজ দিতে। আইটিআই-গুলিকে আর ও উন্নত করার চেষ্টা হচ্ছে।
- আমরা এখন সবে ব্রেকফাস্ট করছি, আমাদের নীতি ইনভেস্ট ইন বেঙ্গল গ্রো ইন বেঙ্গল।
- রাজ্য সরকার জমি কিনে ল্যান্ড ব্যাঙ্ক করবে।
- অনুষ্ঠানে অর্থ মন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়, পর্যটন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ, স্বাস্থ্য মন্ত্রী শারদ্বত মুখার্জি, মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল , মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি, শিল্পপতিরা উপস্থিত ছিলেন।

Be the first to comment