সরকারের সমালোচানা করার ‘অপরাধে’ জেলে গিয়েছিলেন তিনি। শেষমেশ জামিন মিলল বুধবার। বাংলাদেশের চিত্র সাংবাদিক শহীদুল আলমকে অগাস্ট মাসে গ্রেফতার করেছিল হাসিনা সরকার।
আল জাজিরা টেলিভিশন চ্যানেলে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন শহীদুল। সেখানেই তিনি সমালোচনা করেন সরকারের। প্রায় তার সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। সেই সাক্ষাৎকারে কী বলেছিলেন শহীদুল?
আন্দোলন দমন করা নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের ভূমিকা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয় তাঁকে। জবাবে বাংলাদেশের বিখ্যাত এই চিত্র সাংবাদিক দাবি করেন, বাংলাদেশ সরকার সব আন্দোলনই নির্মম ভাবে দমন করে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক কালে ছাত্র আন্দোলন দমন করার কথা বলেন তিনি। কয়েক মাস আগে পরপর পথ-দুর্ঘটনার কারণে বাংলাদেশের ছাত্রেরা পথ নিরাপত্তার দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। সেই আন্দোলন নির্মম ভাবে দমন করেছে হাসিনা সরকার। এমনটাই শহীদুল বলেন সাক্ষাৎকারে।
এর পরেই গ্রেফতারি করা হয় তাঁকে। সারা দেশ প্রতিবাদে ফেটে পড়ে। ধরা পড়ার পরে, সরকারকে চ্যালেঞ্জ করে জামিনের দাবিতে আদালতে আবেদন করেন চিত্র সাংবাদিক। আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করে।
এই চিত্র সাংবাদিককে গ্রেফতার করতে তথ্য প্রযুক্তি আইনের ব্যবহার করে সরকার। এই আইনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সমাজ কর্মীরা।

Be the first to comment