রোজদিন ডেস্ক : আচমকাই ভেনেজুয়েলায় বিধ্বংসী আক্রমণ শানিয়ে ছোট দেশটিকে বিধ্বস্ত করেছে আমেরিকা। রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতি মাদুরোকে সস্ত্রীক আটক করে নিয়ে আসা হয়েছে। কলকাতায় এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। দলীয় মুখপত্র গণশক্তির প্রতিষ্ঠা দিবসে তিনি বলেন, আমেরিকাই সব থেকে বড় সন্ত্রাসবাদী। ভেনেজুয়েলার খনিজ সম্পদ, তেল, সোনার দখল নিতেই এই হামলা করেছে আমেরিকা।
ভিয়েতনাম যদি আমেরিকাকে রুখে দিতে পারে, তবে হুগো সাভেজ, নিকোলাস মাদুরোর দেশ ভেনেজুয়েলাও পারবে বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য গতকাল গভীর রাতে আচমকাই বাম শাসিত তেল সমৃদ্ধ এই দেশে একতরফা আক্রমণ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যা নিয়ে বিশ্বব্যাপী চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। আজ গণশক্তি পত্রিকার ষাট বছর পুর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই নিয়ে সোচ্চার হন মহম্মদ সেলিম। বলেন, সত্তর দশকে ভিয়েতনাম দখল করতে গিয়ে ৫৮ হাজার মার্কিন সেনা প্রাণ হারিয়েছিলেন। এই মহাদেশ ও মার্কিন আগ্রাসনের বাইরে না জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে যা হচ্ছে তা বোঝা দরকার। কার মদতে এই কাজ হচ্ছে তা মাথায় রাখতে হবে। বাংলাদেশ সহ উপ মহাদেশের বিভিন্ন দেশের অস্থির পরিস্থিতি নিয়ে তিনি আমেরিকাকে দায়ী করছেন বলে ইঙ্গিত করেন।
এই রাজ্যে বামফ্রন্টের পতনের পর আমেরিকার বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় “রেজিম” পরিবর্তন লেখা হয়েছিল জানিয়ে সেলিম বলেন, এখানেও বিভিন্ন শক্তিকে ব্যবহার করে বামফ্রন্টকে উৎখাত করার পরিকল্পনা হয়। তখন মাওবাদী, হিন্দু, মুসলিম সাম্প্রদায়িক শক্তি এক হয়েছিল। মমতা ব্যানার্জিকে বিঁধে তিনি বলেন, শুধু কালিঘাটের মুরোদে তা হয়নি।
এই সরকারের আমলে রাজ্যে শিক্ষা, সংস্কৃতি, কৃষি, শিল্প সব শেষ। এর মোকাবিলা করা তাঁদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেন মহম্মদ সেলিম।

গণশক্তি পত্রিকা বহ প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে খেটে খাওয়া মানুষের কথা বলে আসছে। এই সরকার তাঁদের পত্রিকার ন্যায্য অধিকার দিতে চায় না বলে জানান।
চলতি বছরে বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দলকে লড়াই এর ডাক দেন।
অনুষ্ঠানে সিপিএমের বিশিষ্ট নেতারা বক্তব্য রাখেন।

Be the first to comment