স্ত্রীর কোনও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নেই। তাই ভাইয়ের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতেন ভিনরাজ্যে কর্মরত শ্রমিক। পুজোর মরসুমে সেই টাকা চাইতে যাওয়ায় মেরে বৌদির দু পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠল দেওরের বিরুদ্ধে। ভুতনি থানার লুটাহার গ্রামের ঘটনা।
আক্রান্ত মহিলার নাম কবিতা মণ্ডল (২৮)। স্বামী শৈলেশ মণ্ডল পেশায় ভিনরাজ্যের ঠিকাশ্রমিক। দম্পত্তির দুটি মেয়ে ও একটি পাঁচ মাসের ছেলে রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একই গ্রামে আলাদা বসবাস করেন শৈলেশের পরিবার ও তাঁর ভাই ধনপতির পরিবার। স্ত্রীর কোনও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট না থাকায় ভাই ধনপতির অ্যাকাউন্টে নিজের পরিবারের জন্য টাকা পাঠাতেন শৈলেশবাবু। এ বার পুজো পার হওয়ার পরেও টাকা হাতে না পেয়ে শুক্রবার দেওরের বাড়িতে গিয়েছিলেন কবিতা।
অভিযোগ, তখনই তাঁকে ঘরে আটকে নির্মমভাবে মারধর শুরু করে ধনপতি। ভেঙে দেওয়া হয় তাঁর দুটি পা। কবিতার আর্তনাদে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। এখন সেখানেই ভর্তি রয়েছেন কবিতা। তাঁর মা আলো মণ্ডল ধনপতির নামে ভুতনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকেই বেপাত্তা অভিযুক্ত। তার খোঁজে তল্লাশি চলছে।

Be the first to comment