বৃহস্পতিবার বার বেলাতেই দূত মারফত ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছিলেন কলকাতা পুরসভায়। গ্রহণও করে নিয়েছিলেন চেয়ারপার্সন মালা রায়। নভেম্বরের পড়ন্ত বিকেলে সার্দান অ্যাভিনিউয়ের আবাসনের উঠোনে সাংবাদিক সম্মেলন করে শোভন চট্টোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন, তাই আমি পদত্যাগ করেছি।” সেই সঙ্গে এও জানিয়ে দেন, “অতি বড় শত্রুরও যেন আমার মতো অবস্থা না হয়।” তবে কী তাঁর অবস্থা, সে বিষয়ে বিশদে কিছু বলেননি শোভন।
মঙ্গলবারই মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিয়ে দিয়েছিলেন শোভন। বুধবার তাঁর মেয়র পদ ছাড়ার কথা ছিল। ছুটি সত্ত্বেও পুরভায় হাজির ছিলেন কমিশনার খলিল আহমেদ এবং মালা রায়। কিন্তু যাননি শোভন।
এদিন তাঁকে প্রশ্ন করা হয় পদত্যাগের জন্য কি আপনার উপর চাপ ছিল? স্ট্রেট ব্যাটে কাননের জবাব, “পদত্যাগের নির্দেশ ছিল।” কেন পদত্যাগ করতে হল তা অবশ্য জানেন না বলেও মন্তব্য করেন শোভনবাবু। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও চাপ? শোভনবাবু বলেন, “অভিষেক আমার ছোট ভাইয়ের মতো। সাংসদ, যুব তৃণমূলের সভাপতি-সহ দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।” এরপর একই প্রশ্ন করা হলে সদ্য প্রাক্তন মেয়রের জবাব, “নো কমেন্টস।”
এ দিনও বৈশাখীকে শুভানুধ্যায়ী আখ্যা দিয়ে শোভন বলেন, “সিবিআই, ইডি-র মামলায় বৈশাখী আমার পাশে দাঁড়িয়েছিল। বিপদের দিনে যে আমার পাশে দাঁড়িয়েছে, তাঁকে ত্যাগ করে নিজেকে বেইমান প্রতিপন্ন করতে পারব না।”

Be the first to comment