প্রতিবেদন: মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে রেজিনগর ও নন্দীগ্রামে ভোটগ্রহণ। দুই কেন্দ্রেই একাধিক অভিযোগ, উত্তেজনা এবং গ্রেফতারি। রেজিনগরে সকালেই গ্রেফতার হলেন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। নন্দীগ্রামে ব্লক কংগ্রেস সভাপতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, বুথ পরিদর্শনে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। সোনাচূড়া জলপাইয়ে বিক্ষোভ দেখায় মানুষ। রেজিনগরে বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকারকে বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ খোদ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধেই। নন্দীগ্রাম কেন্দ্যামারী ২২৪ নং জীবনকৃষ্ণ প্রাইমারি স্কুল বুথে ইভিএম বিভ্রাটের অভিযোগ এসেছে। ২১২ নং বুথে বাম এজেন্টকে মারধরের অভিযোগ উঠে। কংগ্রেসের অভিযোগ, নন্দীগ্রাম ভেকুটিয়া অঞ্চলের ভীমকাটা ২৮ নং বুথে কাউকে ভোট দিতে দিচ্ছে না বিজেপি। নন্দীগ্রাম ১ নং ব্লক কংগ্রেস সভাপতি শেখ আস্রাফুল তুল্লাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ২৩২ নং বুথে শ্যামসুন্দরী চকে অসামাজিক কিছু ব্যক্তি ভোটারদের বুথের ভিতরে ঢুকে ভোট দিতে বাধা দিচ্ছে বলো অভিযোগ করেছে কংগ্রেস। পাশাপাশি ২৮২ নং বুথ দক্ষিণ কেন্দ্রেমারি থেকে অভিযোগ বুথ দখল করা হয়েছে। অভিযোগের তির বিজেপির দিকে।
এর আগে এদিন সকাল সাতটা থেকে ভেটগ্রহন শুরু হয় দুই কেন্দ্রে। তার আগে বুথগুলিতে মকপোল করা হয়। মোট ৭১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে দুই কেন্দ্রে। এর মধ্যে রেজিনগরে ৩৪ ও নন্দীগ্রামে ৩৭ কোম্পানি বাহিনী রয়েছে। এর সঙ্গে নন্দীগ্রামে ৭০০ রাজ্য পুলিশ, আর রেজিনগরে রয়েছে ৮১৯ জন রাজ্য পুলিশের কর্মী।

Be the first to comment