রোজদিন ডেস্ক : আগামীকাল ২৭ অক্টোবর সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে ষষ্ঠী। এই দিন থেকে শুরু হচ্ছে চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী আরাধনা।১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে জগদ্ধাত্রী বিসর্জনের শোভাযাত্রা। চন্দননগর, মানকুণ্ডু এবং ভদ্রেশ্বর মিলিয়ে গত বছর চন্দননগর কেন্দ্রীয় কমিটির অধীনে পুজোর সংখ্যা ছিল ১৭৭। এবছর আরও ৩টি বারোয়ারি সংযোজন হয়ে পুজোর সংখ্যা ১৮০।চন্দননগর থানা এলাকায় রয়েছে ১৩৩টি এবং ভদ্রেশ্বর থানা এলাকায় রয়েছে ৪৭টি পুজো। এর মধ্যে জয়ন্তী বর্ষের পুজো রয়েছে ১০টি এবং প্রাক জয়ন্তী বর্ষের পুজো রয়েছে ১১টি।
শোভাযাত্রায় প্রতি বছরের মত এবছর থাকছে চমক। এবছর মোট ৭০টি পুজো কমিটি অংশগ্রহন করবে শোভাযাত্রায়। লরির সংখ্যা থাকছে ২৪৫টি। চন্দননগর থানা এলাকার ৫৬টি পুজো কমিটি এবং ভদ্রেশ্বর থানা এলাকার ১৪টি পুজো কমিটি অংশগ্রহন করবে শোভাযাত্রায়। জগদ্ধাত্রী প্রতিমা নিরঞ্জন হবে রানি ঘাট-সহ চন্দননগর ও ভদ্রেশ্বরের ১৪টি গঙ্গার ঘাটে।
কেন্দ্রীয় জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির সাধারণ সম্পাদক শুভজিৎ সাউ বলেন, চন্দননগরের ঐতিহ্য মেনে বিসর্জনের শোভাযাত্রায় ডিজে বক্স বাজানো যাবে না। প্লাস্টিকের ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রতিটি পুজো কমিটি প্রতিমার গাড়িতে অগ্নি নির্বাপণ সিলিন্ডার রাখবে বাধ্যতামূলকভাবে। প্রত্যেকটি পুজো কমিটি মণ্ডপের ভিতরে সিসিটিভি ক্যামেরা রাখবে। দূষণ রুখতে সীসামুক্ত রং ব্যবহার করতে হবে প্রতিমায। ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে পাশে কোনওরকম নোংরা আবর্জনা ফেলা যাবে না।প্রতিমা নিরঞ্জনের সময় কোনও আতশবাজি পোড়ানো যাবে না।শোভাযাত্রায় যে সমস্ত গাড়ি অংশ নেয় সেই গাড়ির চালকের সামনে আগে ইলেকট্রিক বোর্ড থাকত। যার ফলে দুর্ঘটনার আশংকা থাকতো।এবার চালকের সামনে ফাঁকা রাখতে হবে।
চন্দননগর সেন্ট্রাল পুজো কমিটির তরফে সাংবাদিক বৈঠকে এই নিয়ে সকলকে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।চন্দননগর জগদ্ধাত্রী পুজোর যাত্রা শুরু হয়েছিল ৭০ বছর আগে। সাতটি পুজো কমিটি নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল কেন্দ্রীয় কমিটি।কেন্দ্রীয় কমিটির নিয়ন্ত্রণাধীন পুজোর সংখ্যা এ বছর দাঁড়িয়েছে ১৮০ তে। পুজো হোক বা বিসর্জনের শোভাযাত্রা কমিটির নির্দেশ না মানলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

Be the first to comment