প্রতিবেদন: মুর্শিদাবাদে কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয় (CONGRESS PARTY OFFICE) বেদখলের অভিযোগ শুনে তাজ্জব কলকাতা হাইকোর্ট। আপাতত ওই মামলায় কোনও হস্তক্ষেপ না করলেও দিল্লির মসনদ দখলের ইতিহাস মনে করালেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। সোমবার, তাঁর প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে বিচারপতি বলেন, পার্টি অফিস দখলদারি দেখে দিল্লির মসনদের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। প্রথমে মহম্মদ ঘোরি দখল করল, তারপর সুলতানি সাম্রাজ্য, তারপর মোঘল, আর শেষে ব্রিটিশরা। মুর্শিদাবাদের নওদায় ২০০২ সালে একটি ভবন কিনে দলীয় কার্যালয় তৈরি করে কংগ্রেস নেতৃত্ব। ২০১৮ সালে কংগ্রেসের আবু তাহের দল ছেড়ে যোগ দেন তৃণমূলে। তাঁর হাত ধরে ওই পার্টি অফিসের দখল নেয় তৃণমূল। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর পার্টি অফিস ফেরত চেয়ে পুলিশে অভিযোগ করে কংগ্রেস। কোনও লাভ না হওয়ায় গত ৮ অগাস্ট পার্টি অফিস দখল করতে যান কংগ্রেস সমর্থকরা। কিন্তু বর্তমানে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া সাংসদ আবু তাহেরের ওই অফিস বাঁচাতে পুলিশ এলাকা ঘিরে ফেলে বলে অভিযোগ কংগ্রেসের। অফিস না পেয়ে এরপরই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথমে কংগ্রেস, তারপর তৃণমূল আর শেষে এনসিপিআই-এর দখলে আসে ওই কার্যালয়। সোমবার এই সংক্রান্ত বিষয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। সেখানে অফিস দখলের ইতিহাস শুনে বিচারপতি দিল্লির মসনদ দখলের সঙ্গে তার তুলনা করেন। তবে, যেহেতু এটি সিভিল মামলার বিষয়। তাই আদালত জানিয়েছে, এই মুহূর্তে ওই কার্যালয় নিয়ে কোনও নির্দেশ দেওয়া হবে না। মামলাকারী চাইলে সিভিল কোর্টে আপিল করতে পারেন।

Be the first to comment