প্রতিবেদন: হালিশহরে মৃত তৃণমূল কর্মী বিরজু কেওটার স্ত্রীকে তাঁর দফতরে অ্যাটেনডেন্ট পদে নিয়োগ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই সঙ্গে ১০ লক্ষ টাকার একটি চেকও তুলে দিলেন তাঁর হাতে। সোমবার সকালে হালিশহরে দাঁড়িয়ে তিনি এই ঘোষণা করেন। মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পরিবারের তরফে আমার কাছে তারা কয়েকটি সাহায্য চেয়েছেন। প্রথমতঃ মৃতের পরিবার দুটো জিনিস চেয়েছে। বলেছে, মৃতের ওপর শারীরিক অত্যাচার হয়েছে। দোষী পুলিশদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্বিতীয়ত, মৃতের দু’টি সন্তান আছে। তাঁদের ভবিষ্যতের দায়িত্ব নিতে হবে। জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পুলিশি হেফাজতে মারা গেছে এটা সত্যি। কতটা শারীরিক অত্যাচার হয়েছে, সেটা বলতে পারব না। তিনজন ডাক্তারের উপস্থিতিতে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট থেকে এ সব জানা যাবে। তদন্তকারী অফিসারকে সাসপেন্ড করছি। ওসিকেও ক্লোজ করা হচ্ছে। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে উপযুক্ত তদন্তের আদেশ দিয়েছি। এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমি রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বছরে তিনজন অ্যাটেনডেন্ট পাই। ওঁর স্ত্রীকে আমার অ্যাটেনডেন্ট হিসাবে চাকরি দিলাম। উনি শোক কাটিয়ে ওঠুন। লোকাল থানার সঙ্গে যোগাযোগ করলে সেই ব্যবস্থা করা হবে। অ্যাটনডেন্টরা মাসে ১৫ হাজার টাকা করে পায়। এক বছর গ্রুপ ডি-তে স্থায়ী নিয়োগ পান এরা। আগেও বলেছি, কোনও মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ টাকা দিয়ে হয় না। তবে মুখ্যমন্ত্রীর তো দায়িত্ব থাকে। ওরা টাকা চায়নি। তবে আমি মুখ্যমন্ত্রী রিলিফ ফান্ড থেকে ১০ লক্ষ টাকার চেক আজ ওদের দিয়েছি।
এর আগে সোমবার সকালেই রাজনৈতিক সৌজন্য দেখিয়ে হালিশহরে পুলিশ লক আপে মৃত তৃণমূল কর্মী বিরজু কেওটার বাড়িতে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে মৃতের পরিবার সুবিচারের দাবি জানায়। সেই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পুলিশকর্তাদের শাস্তির দাবিও তোলেন।

Be the first to comment