রোজদিন ডেস্ক : সরকারি সংস্থার কাজে হস্তক্ষেপ। তাঁদের তদন্তে বাধা। তদন্তকারীদের হেফাজত থেকে বাজেয়াপ্ত সামগ্রী কেড়ে নেওয়া-সহ একাধিক অভিযোগ নিয়ে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল ইডির। কেন্দ্রীয় এজেন্সির অভিযোগ, বৃহস্পতিবার যখন প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চলছিল সেই সময় পুলিশ সেখানে অতিসক্রিয় ছিল। তাদের কাজে বাধা দেওয়া হয়। আজই তাদের মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে আদালত। শুক্রবার শুনানির সম্ভাবনা।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে দিল্লিতে দায়ের হওয়া কয়লা পাচার সংক্রান্ত মামলার তদন্তে কলকাতার ৬টি ও দিল্লির ৪টি জায়গায় তল্লাশি চালায় ইডি। আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের অফিস ও লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে ইডি হানা দেয়। অভিযোগ, বাড়িতে তল্লাশি চালানোর সময় শেক্সপিয়ার সরনি থানার পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে আবাসনের নীচে কথা কাটাকাটি হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর। পুলিশকে আবাসনের প্রধান গেটের বাইরে যেতে অনুরোধ করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সেই নিয়ে শুরু হয় বচসা। তারা যখন ভিতরে ঢোকেন, তার ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছন পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা। সিপি যাওয়ার একটু পরেই দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পৌঁছে গিয়েছেন সেখানে। তড়িঘড়ি বাড়ির ভিতরে ঢোকেন তিনি। খানিক পরই বেরিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময় তাঁর হাতে একটি সবুজ ফাইল দেখা যায়। সেটিকে ধরে সাংবাদিকদের সামনেই মমতা বলেন, দেখুন আমি সব এই ফাইল নিয়ে এসেছি। কারণ প্রতীক আমার পার্টির ইনচার্জ। সব হার্ড ডিস্ক আমি নিয়ে এসেছি। এরপর মুখ্যমন্ত্রী সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের দফতরে যান। সেখানে বড় সংখ্যায় পুলিশ ছিল। তাঁরা সেখান থেকে অনেক নথিপত্র ও ইলেক্ট্রনিক ডকুমেন্ট ছিনিয়ে নেয় বলেই অভিযোগ ইডির।
ইডির অভিযোগ কয়লা পাচার মামলায় একটি বড় অঙ্কের টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে পাচার করা হয়েছিল। ওই রাকেটের সঙ্গে যোগসূত্র মিলেছে আইপ্যাকের।

Be the first to comment