প্রতিবেদন: সোনারপুর এলাকায় সাত/আটটা চেম্বার। প্রেসক্রিপশনে বড় বড় হরফে লেখা দেশি, বিদেশি ডিগ্রি, বড় অঙ্কের ফি, বিরাট ঠাটবাট। বড় অঙ্কোলজিস্ট। এভাবেই গত কয়েক বছর ধরে চলছিল ডাক্তার সেজে লোক ঠকানোর ব্যবসা। তবে বিধি বাম। বেশিদিন চলল না এই কারবার। নির্দিষ্ট অভিযোগ পেয়ে রোগী সেজে চেম্বারে গিয়ে ভুয়ো ডাক্তারকে পাকড়াও (fake doctor arrests) করল পুলিশ। আপাতত শ্রীঘরে ঠাঁই হয়েছে সেই ভুয়ো ডাক্তারের। সোমবার রাতে ধৃত ওই ব্যক্তির নাম বিশ্বরূপ আচার্য। আজ মঙ্গলবার তাঁকে বারুইপুর আদালতে পেশ করা হবে। অভিযোগ, নিজেকে বড় অঙ্কোলজিস্ট পরিচয় দিয়ে সোনারপুরের ঘাসিয়াড়া এলাকায় চেম্বার খোলেন বিশ্বরূপ।তাঁর প্যাডে এফআরসিএস-এর মতো সর্বোচ্চ পর্যায়ের বিদেশি ডিগ্রি লেখা থাকতো। গত কয়েক বছরে ওই এলাকায় ৭/৮টি চেম্বার খুলে ফেলেছিলেন ওই ভুয়ো চিকিৎসক। রোগী পিছু নিতেন বড় অঙ্কের ফিজ। এভাবেই জমিয়ে ফেলেন পসার। কিন্তু ফেঁসে গেলেন আরও একটি নতুন চেম্বার খুলতে গিয়েই। সম্প্রতি বাড়ি ভাড়া নিয়ে নতুন একটি চেম্বার খুলেছিলেন বিশ্বরূপ। তাঁর সঙ্গে কথাবার্তার সময় সন্দেহ হয় ওই বাড়িমালিকের। তিনি সোনারপুর থানায় ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ। রোগী সেজে তার চেম্বারে যান এক পুলিশ কর্তা। সেখানেই ধরা পড়ে যায় ভুয়ো ডাক্তারের।কারসাজি।

Be the first to comment