রোজদিন ডেস্ক: রাজ্যে পালাবদলের পর দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনে জোট চেয়ে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। নির্ভর যোগ্য সূত্রে এই খবর মিলেছে। এই সূত্রে প্রকাশ, জাতীয় কংগ্রেসের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল কে এই প্রস্তাব দিয়ে ফোন করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁকে নন্দীগ্রাম আসন ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন৷ রেজিনগর কেন্দ্রে তাঁদের প্রার্থীকে সমর্থনের আর্জি জানান কংগ্রেসকে।
কংগ্রেস এই প্রস্তাব খারিজ করেছে বলে জানা যায়। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর অতীতের কার্যকলাপ এর কারণ বলে প্রকাশ। ২০১১ সালে রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে ক্ষমতায় আসার পর ক্রমে উভয়ের সম্পর্কে অবনতি হয়।
রাজ্যে কংগ্রেস কে কোণঠাসা করতে সব রকম প্রয়াস নেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, এমন ই অভিযোগ রাজ্য কংগ্রেসের।
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের বক্তব্য, জোট চাইলে উপ নির্বাচনে দুই কেন্দ্রে ই তাঁদের দলের প্রার্থীদের সমর্থন করুক সাবেক তৃণমূল। তবে আগামী দিনে জোটের রাস্তা আরও খোলা থাকবে।
রাজ্যে পালাবদলের পর দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন মমতা ব্যানার্জি ও অভিষেক ব্যানার্জি। পৃথকভাবে দেখা করেছিলেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা সোনিয়া গান্ধী,রাহুল গান্ধীর সঙ্গেও। তখন ই গুঞ্জন ওঠে, তবে কি কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী!
এরপর অবশ্য এই বিষয়ে আর কিছু শোনা যায় নি।
যত দিন যাচ্ছে, রাজ্যে ক্রমেই জমি হারাচ্ছে সাবেক তৃণমূল। পুজোর পর কলকাতা পুরসভা সহ একাধিক পুরসভার নির্বাচন হওয়ার কথা। তখন ও কংগ্রেসের সঙ্গে জোট চেয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বার্তা দিতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করেন।

Be the first to comment