রোজদিন ডেস্ক : ২৪ ঘন্টা পার হওয়ার আগেই হাতে পেলেন স্বাস্থ্য সাথী কার্ড। ২৯নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নারকেল ডাঙ্গা নর্থ রোডের বাসিন্দা নন্দিনী বন্দ্যোপাধ্যায় কার্ড হাতে নিয়ে আপ্লুত। বলেছেন,” তিন বছর ধরে স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের জন্য ঘুরে বেড়াচ্ছি। হয়নি। আজ কয়েক মিনিটের মধ্যে কার্ড পেলাম। এই ঘটনার নেপথ্যে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম।
শুক্রবার নাগরিকদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলাপ চারিত “টক টু মেয়র ‘ অনুষ্ঠানে নারকেল ডাঙ্গা নর্থ রোডের বাসিন্দা রাজর্ষি সিকদার জানান অনেকদিন চেষ্টা করেও স্বাস্থ্য সাথী কার্ড পাচ্ছেন না। মেয়র যদি একটু ব্যবস্থা নেন। শুনেই মেয়র ফিরহাদ হাকিম আজ শনিবার তাঁদের পুর ভবনে আসতে অনুরোধ করেন। এদিন দুপুরে মেয়রের চেম্বারে নন্দিনী বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজর্ষি সিকদার আসতেই মেয়র তাঁদের বসতে বলেন। কয়েক মিনিটের মধ্য তাঁদের হাতে কাঙ্খিত স্বাস্থ্য সাথী কার্ড হাতে তুলে দেন। তাঁরা যাতে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারেন তাঁর নির্দেশ দেন।
অভিযোগ জানানোর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড হাতে পেয়ে দম্পতি যেমন আপ্লুত ঠিক তেমনই খুশি মেয়র ফিরহাদ হাকিম। পরে মেয়র জানান যে তিনি কিছুই করেননি। আসলে কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করলেই স্বাস্থ্য সাথী কার্ড দ্রুত পাওয়া যায়। অনেক মানুষ যে পদ্ধতি জানে না ফলে তাদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তার দাবি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে পদ্ধতি করে দিয়েছেন। তাতে রাজ্যের মানুষকে স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদান করা হচ্ছে। মেয়র বলেন কিছু জনসংযোগের অভাব আবার কোথায় আধিকারিকদের খানিকটা গাফিলতিতে কাজ আটকে যায়। তিনি জানান যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে পদ্ধতি করে দিয়েছেন তাতে সহজে কার্ড হয়ে যায় বলে ও জানান তিনি। এদিন কলকাতার মানুষের কাছে মেয়রের বার্তা বিশ্বাস রাখুন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরে। আমরা তার অনুগত সৈনিক। তিনি আমাদের মানুষের সেবার জন্য নিযুক্ত করেছেন। আমরা মানুষকে পরিষেবা দিতে বদ্ধপরিকর।

Be the first to comment