রোজদিন ডেস্ক : ফলতার দাপুটে টিএমসি নেতা তথা প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের ঘনিষ্ঠ সুজাউদ্দিন শেখ, ইসরাফিল চোকদারের নামে এফআইআরের নির্দেশ দিলো নির্বাচন কমিশন। ব্যবস্থা না নিলে পুলিশের বিরুদ্ধেই পদক্ষেপ করার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে। কমিশন পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছে, এলাকায় শান্তি রক্ষা ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা পুলিশকেই নিতে হবে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অতি অবশ্য ব্যবস্থা তাঁদের নিতে হবে।
গত ২৯ এপ্রিল দিনভর পুলিশের নজরদারিতে ছিল ফলতা। ইউপি থেকে আসা সিংহম আইপিএস অজয় পাল শর্মা সারাদিন ফলতা সহ দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায় লাগাতার টহলদারি দিয়েছেন। কড়া নজরদারি করেছেন। মোটামুটি শান্তিতে সেদিন ভোট পর্ব মিটলেও ফের অশান্ত হয়েছে এলাকা। গত কদিন ধরেই ফলতার বহু নারী পুরুষ পথে নেমে ভোট দিতে পারেননি বলে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। গতকাল ও আজ এই বিক্ষোভের জেরে উত্তপ্ত এলাকা। তাঁদের অভিযোগের তির জাহাঙ্গির খানের ঘনিষ্ঠ
সুজাউদ্দিন শেখ, ইসরাফিল চকদার সহ একাধিক টিএমসি নেতা বিরুদ্ধে। তাঁরা জানান, ভোট তাঁদের দিতে হয় না, বহু ক্ষেত্রে ভোটার কার্ড আগেই কেড়ে নেওয়া হয় ইত্যাদি ইত্যাদি। এই সব অভিযোগ, বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ফলতা। তাঁরা ফের এই কেন্দ্রে পুনর্নিবাচন দাবি করেন।
উল্লেখ্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে আজ ডায়মন্ড হারবার ও মগরাহাট পশ্চিমের ১৫ টি কেন্দ্রে পুনর্নিবাচন অনুষ্ঠিত হলেও ফলতা নিয়ে কোন সিদ্ধান্ত না হওয়ায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। কিছুটা হলে বিস্মিত রাজনৈতিক মহলও।
সিইও মনোজ আগরওয়াল জানান, নির্বাচন কমিশনকে রিপোর্ট দেওয়া আছে, এই বিষয়ে তাঁদের কিছু করার নেই।
ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, পুরো ফলতা কেন্দ্রেই পুনর্নিবাচন হওয়ার জোর সম্ভাবনা।

Be the first to comment