সুস্মিতা রায় :
পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি কাঁথির মৎস্যজীবী স্বপন রানার মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার তাঁর পরিবার এই খবর পান। দু-বছর আগে গুজরাটের একটি ট্রলারে কাজ করতে গেছিলেন তিনি। জলসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগে স্বপন-সহ সাত জনকে গ্রেফতার করে পাকিস্তান পুলিশ। গত পয়লা জুলাই পাকিস্তানের কাছ থেকে ভারত সরকারকে পাঠানো এক তালিকায় স্বপনেরও নাম ছিল বলে তাঁর পরিবারের দাবি। তাঁদের মুক্তির জন্য সরকারি স্তরে চেষ্টা চালানো হয় বলে তাঁদের অনুমান। এরই মধ্যে হঠাৎই কারাবন্দি অবস্থায় তাঁর মৃত্যুর খবরে শোকে মুহ্যমান তাঁর পরিবার। শোকস্তব্ধ স্থানীয় মানুষজনও। আগামী সপ্তাহে তাঁর মরদেহ ফিরিয়ে আনা হবে বলে প্রশাসন জানিয়েছে। কিন্তু দু-বছর পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকার পর কেন তাঁকে জীবিত ফেরানো গেল না, এই প্রশ্ন উঠেছে।
পুর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির বামুনিয়ার পাইকবার গ্রামের মানুষদের মনে প্রশ্ন, শান্ত, পরিশ্রমী মানুষটি সুদূর গুজরাটে কাজ করতে গিয়ে এই পরিণতি হল, এর দায় কার?
উল্লেখ্য সম্প্রতি বাংলাদেশের কারাবন্দি এক মৎস্যজীবীর মৃত্যুর খবরে কাকদ্বীপে তাঁর পরিবারে হাহাকার উঠেছে। ওই দেশে এলাকার আরও ৬১ জন বন্দি আছেন বলে জানা যায়।
সুন্দরবনে মাছ ধরতে গিয়ে জলসীমা পেরোনোর অভিযোগে তাঁদের গ্রেফতার করে বাংলাদেশ পুলিশ।

Be the first to comment