রোজদিন ডেস্ক: অধ্যাপকদের ভোটের কাজে নিয়োগের ক্ষেত্রে কমিশনের বিজ্ঞপ্তি খারিজ করে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। সিঙ্গল বেঞ্চের ওই নির্দেশের ওপর এবার স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিসন বেঞ্চ। বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি অজয় গুপ্তার ডিভিশন বেঞ্চের বক্তব্য, কিছু শিক্ষক মামলা করলেও তাদের একাংশ কমিশনের নির্দেশ মত দায়িত্ব নিয়েছেন। গ্রুপ-এ অফিসারদের আগাম যুক্তিযুক্ত কারণ না দেখিয়ে যেমন বুথে দায়িত্ব দেওয়া যায় না, তেমনই ভোটের কাজে তাঁদের কমিশনের কতটা প্রয়োজন সেটাও উপলব্ধ করতে হবে। তাঁদের যদি প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব দেওয়া হয় সেটাও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অবজার্ভারদের কাজ প্রশাসনিক। কোনও ভাবেই তাদের দায়িত্ব প্রিসাইডিং অফিসারকে নির্দেশ দেওয়া নয়। আদালতের মতে, প্রিসাইডিং অফিসারের কাজের পরিধি অনেক বড়। এমন কি সেক্টর অফিসারদেরও প্রিসাইডিং অফিসারের উপর কোনও প্রভাব নেই। ফলে তিনি যে পদেরই কর্মী হন না কেন, তাদের একাংশ কেনও কমিশনের নির্দেশে মান্যতা দিল সেই ব্যাপারে ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হয়েছে মামলাকারীরা। আমরা লক্ষ্য করেছি, মামলাকারী সংগঠনের তরফে হলফনামায় বলা হয়েছে স্টেনো, ইন্সট্রাক্টর মতো পদের কর্মীদের সেক্টর অফিসারের পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যেখানে এদের কাছে প্রিসাইডিং অফিসারকে কোনও জবাবদিহি করতে হবে না। তাছাড়া অধ্যাপকদের এর আগে কোনওদিন অবজারভারের দায়িত্ব দিয়ে দেখাও হয়নি। ফলে আমরা দুই পদের মধ্যে কোনও ওভারল্যাপ খুঁজে পাইনি। ফলে আপাতত অধ্যাপকদের বুথে দায়িত্ব দিতে কমিশনের আর কোনও বাধা রইল না।

Be the first to comment