সিপিএমকে হারাতেই জন্ম তৃণমূলের : মহম্মদ সেলিম

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক :  রাজ্যে সিপিএমকে হারানোর জন্যই তৃণমূলের জন্ম বলে দলের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম আজ মন্তব্য করেন। বলেন, বিজেপি – আরএসএস প্রথম থেকেই কমিউনিস্টদের শত্রু বলে নিশানা করেছে। বিজেপি তাদের স্বাভাবিক বন্ধু বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি নিজেই বলেছেন। এখানে সিপিএমকে হারাতেই টিএমসি-র জন্ম, বিজেপিকে হারাতে নয়।
আজ কলকাতা প্রেস ক্লাবের মিট দি প্রেস অনুষ্ঠানে মহম্মদ সেলিম রাজ্যে এসআইআর-সহ নানা বিষয়ে বক্তব্য রাখেন।
গতকালই ইসলামপুরে তাঁদের দলের কর্মী নূর আজমের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। সাংবাদিক সম্মেলনের শুরুতেই প্রয়াত তরুণ নূর আজমের স্মৃতিতে শ্রদ্ধা জানান তিনি।
বলেন, রাজ্যে ভোট নিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে কমিশন। সাঁজোয়া গাড়ি নিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী টহল দিচ্ছে। আক্ষেপ করে তিনি বলেন, অথচ একজন মানুষ (নূর আজম) খুন হলেন, রাজ্য প্রশাসন, কমিশন কোনও ব্যবস্থাই নিলো না!

রাজ্যে এসআইআর নিয়েও নির্বাচন কমিশনের ওপর এক রাশ ক্ষোভ উগরে দেন মহম্মদ সেলিম। বলেন, এসআইআরের নামে যাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, এই লড়াই শুধু তাঁদের নয়, এটা গোটা রাজ্যের লড়াই। যারা ভোটার তালিকা থেকে মানুষের নাম বাদ দিয়েছে, নির্বাচনে রাজ্যের মানুষ তাদের জবাব দেবে।
বিজেপি ও টিএমসি-কে এক বন্ধনীতে রেখে তীব্র আক্রমণ শানান তিনি। বলেন, নোটবন্দির সময়ের মত এসআই আরেও আমজনতাকে লাইনে দাঁড় করানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, নোটবন্দির সময় সব কালো টাকা উদ্ধার হয়েছে। পরে দেখা গেল টিএমসি নেতার বান্ধবীর বাড়ি থেকে বান্ডিল বান্ডিল টাকা মিললো। হাওয়ালার মাধ্যমে টিএমসি ও বিজেপি নেতাদের টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে।
এবার তাঁরা “বাংলা বাঁচাও” র ডাক দিয়ে লড়ছেন। সেলিম সাহেব বলেন,গত ১৫ বছরে টিএমসি সব ক্ষেত্রে রাজ্যকে ধ্বংস করেছে। শুধু নীল সাদা রঙ করে রাজ্যের ঐতিহ্যকে বাঁচানো যায় না। বিজেপি, টিএমসি ধর্মের নামে ভোট করতে চেয়েছিল।
রাজ্যে তৃণমূলের প্রশ্রয়ে আরএসএসের শ্রীবৃদ্ধি হয়েছে। ২০১১ সালে হুগলিতে প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সভার অনুমতি মেলেনি। ওইদিনই মালদায় টিএমসি-র আয়োজনে আরএসএস নেতা মোহন ভাগবতের সভা হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।
রাজ্যে বিজেপি ও টিএমসি উভয়ের বিরুদ্ধেই তাঁদের লড়াই বলে সেলিম সাহেব দৃঢ়ভাবে জানান।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*