রোজদিন ডেস্ক : সামনেই কালীপুজো। আর কালীপুজোয় পুলিশের মতোই বিশেষ সতর্ক থাকতে হয় দমকলকে। তাই চূড়ান্ত পর্বের প্রস্তুতি নিয়ে বৃহস্পতিবার নিউটাউনে অগ্নিনির্বাপণ দফতরে প্রায় সব জেলার আধিকারিকদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। কালীপুজোর বৈঠকে পাশাপাশি ছটপুজো এবং জগদ্ধাত্রী পুজোর দিনগুলিতেও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা এবং সুরক্ষা সংক্রান্ত একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে রাজ্যে ১৬৬টি ফায়ার স্টেশন রয়েছে। কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী ও ছটপুজো উপলক্ষে আরও ৫১ টি অস্থায়ী দমকল কেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে। একইসঙ্গে কলকাতা, চন্দননগর, বারাসত, কৃষ্ণনগর, নৈহাটির পাশাপাশি যেসব জায়গায় বাজি বাজার রয়েছে, সেইসব জায়গায় এই অস্থায়ী স্টেশনগুলি গড়ে তোলা হবে বলেও জানিয়েছেন সুজিত বসু।
আগামী সপ্তাহের সোমবার কালীপুজো। তাই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে কালীপুজোর আগের দিন অর্থাৎ রবিবার থেকেই ময়দানে নেমে পড়ছে দমকল। মন্ত্রী জানিয়েছেন, ১৯ তারিখ থেকেই দমকলের লোকেরা রাস্তায় থাকবেন। আবার কালীপুজো মিটলেই ছটপুজো। তখনও ঘাটে ঘাটে নজরদারি চলবে বলে জানিয়েছেন সুজিত বসু। তাঁর কথায়, ছটপুজোয় যে সমস্ত ক্যাম্প তৈরি করা হয়, সেগুলিতেও বাড়তি নজরদারি চলবে। এছাড়াও চন্দননগরে চারদিন ধরে জগদ্ধাত্রী পুজো চলে। যা দুর্গাপুজো থেকে কোনও অংশে কম নয়। সেকথা মাথায় রেখে চন্দননগরেও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জেলার পাশাপাশি কলকাতাতেও যাতে পুজোর দিনগুলিতে মানুষের কোনও সমস্যা না হয়, সেদিকে দমকলের বিশেষ নজর থাকবে বলে জানিয়েছেন দমকলমন্ত্রী।

Be the first to comment