খেলা থেকে রাজনীতি, সাবলীল লিয়েন্ডার, বললেন বাংলাকে ওল্ডেজ হোম বানাতে দেব না

Spread the love

পিয়ালী: 

আজ ৪ এপ্রিল সল্টলেকে বিজেপি পার্টি অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন লিয়েন্ডার পেজ। বিশ্ব বিখ্যাত টেনিস তারকা লিয়েন্ডারের এখন আরেকটি পরিচয়, তিনি বিজেপি নেতা। বাবা গোয়ানিজ হলেও মায়ের সূত্রে তিনি বাঙালি, তার জন্ম কলকাতায় মাতৃভূমি কলকাতা। তাই বিরোধীদের বহিরাগত অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়ে লিয়েন্ডার বললেন কলকাতার লা মার্টিনিয়ার স্কুলে তার পড়াশোনা, তারপর বাবার সাথে কলকাতার ময়দানে টেনিস শিখেছেন। সাউথক্লাব সিসিএফসি, একের পর এক স্মৃতি – সবই কলকাতায়।

কলকাতার ময়দান তাঁকে দেশপ্রেম, সংগ্রাম ও শৃংখলার শিক্ষা দিয়েছে বললেন লিয়েন্ডার। পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়া পরিকাঠামো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন লিয়েন্ডার। তিনি বলেন আমি গত ৪০ বছর ধরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছে তিরঙ্গাই আমার কাছে প্রধান লক্ষ্য, দেশের সম্মান বৃদ্ধি করাই ছিল একমাত্র উদ্দেশ্য।

বর্তমান প্রজন্ম যথেষ্ট প্রতিভাধর হওয়া সত্ত্বেও ক্রীড়া ক্ষেত্রে পরিকাঠামোর অভাবের ফলে অনেক পিছিয়ে পড়ছে, বলেন লিয়েন্ডার।

লিয়েন্ডার বলেন তাঁর হৃদয়ে তিরঙ্গা, রক্তে তিরঙ্গা মনে তিরঙ্গা।

স্পোর্টস অর্থাৎ ক্রীড়াক্ষেত্র এবং স্পোর্টস এডুকেশন অর্থাৎ ক্রীড়া শিক্ষা বিষয়ে তিনি বিশেষ জোর দিতে চান। বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে আমরা এগোতে চাই ও পরিশ্রম করতে চাই বলেন লিয়েন্ডার।

সাম্প্রতিক বাংলায় লিওনেল মেসি আসাকে কেন্দ্র করে যে বিতর্কিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল তার সমালোচনা করেন লিয়েন্ডার পেজ। তিনি বলেন মেসিকে নিয়ে যে গন্ডগোল হয় , কোন ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব যদি ক্রীড়া মন্ত্রী হতেন তাহলে এরকম হতো না। নাম না করে অরূপ বিশ্বাসের সমালোচনা করে তিনি বলেন এক্ষেত্রে সৌরভ গাঙ্গুলী বা স্নেহাশীষ গাঙ্গুলির মত কোন খেলার জগতের মানুষ যদি ক্রীড়া মন্ত্রী হতেন অথবা ইভেন্টের দায়িত্বে থাকতেন তাহলে ওইরকম ঘটনা ঘটতো না।

বাংলাকে ওল্ডএজ হোম বানাতে দেব না, দৃঢ় কন্ঠে বলেন লিয়েন্ডার। ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব হওয়া সত্ত্বেও তার মস্তিষ্কে যে শুধুই খেলা প্রাধান্য পায় না, বরং তার আবেগ তার বুদ্ধি ,তার মনন ও বিচক্ষণতা তাঁকে সফল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে পরিণত করবে তা তার বক্তব্যেই স্পষ্ট। বাঙালি যুব সম্প্রদায় যে পেশার তাগিদে বাংলা ছেড়ে ভিন রাজ্য বা ভিনদেশে পাড়ি দিচ্ছে সে বিষয়ে উদ্বিগ্ন লিয়েন্ডার। তিনি বলেন, এই ব্রেন ড্রেন বন্ধ করতে হবে। বিজেপিতে যোগদানের পর লিয়েন্ডার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। সেখানে বাংলার যুব সম্প্রদায় এবং ক্রীড়া ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য বিশেষ আলোচনা হয়।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*