আগে উন্নয়ন, পরে মন্দির। রামমন্দির নিয়ে তরজার মধ্যে উল্টোরথ বিজেপির। মধ্যপ্রদেশের ভোজশালার ঘটনা। যদিও ভোজ নামের সঙ্গে খাওয়া দাওয়ার কোনও সম্পর্ক নেই। মূলত একটি প্রচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা পাঠশালার জন্যই এলাকাটির নাম হয়েছে ভোজশালা। আর ওই পাঠশালার গা ঘেঁষেই রয়েছে বিখ্যাত সুফী সাধাক কামাল উদ্দিন চিশতির দরগা। যেখানে শুক্রবার করে নামাজ পড়ে মুসলিমরা। আবার শনিবার করে পূজা করে হিন্দুরা। যদিও মাঝেমধ্যেই লড়াই বেঁধে যায় দুই গোষ্ঠীর মধ্যেই। তখন আবার পুলিশ, আধাসেনা নামিয়ে সামাল দিতে হয় পরিস্থিতি। দুই গোষ্ঠীরই দাবি এটা আসলে তাদেরই মন্দির বা মসজিদ। যাইহোক, মধ্যপ্রদেশের ভোটের হাওয়ায় উত্তাল মুসিলম অধ্যুষিত ভোজশালাও। এলকার হিন্দু জাগরণ মঞ্চের নেতা গোপাল শর্মার দাবি, তাঁরা কংগ্রেসের সঙ্গে যাবেন। কংগ্রেস প্রার্থী প্রভা গৌতমই জিতবে এই এলকায়। কারণ, মন্দিরের দাবি পূরণ হতে পারে কংগ্রেস এলেই। আবার মুসলিম সংগঠনের নেতারা জানান, তারা রয়েছে বিজেপির পক্ষেই। আর মুসলিম ভোট ছাড়া নির্বাচনে জেতা সম্ভব নয় ভালো করেই জানে বিজেপি নেতারাও। বিজেপি প্রার্থী নীনা বর্মা জানান, কারোর আবেগ আঘাত করতে চাই না। এলকায় আগে উন্নয়ন হবে। তারপর ভাবা যাবে মসজিদ না মন্দির হবে।

Be the first to comment