মদ্যপ অবস্থায় সহকর্মীর বাড়িতে যাওয়ায় অপমান করে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন তিনি। সেই অপমানের বদলা নিতে সহকর্মীর নাবালিকা মেয়েকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ উঠল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের। পুলিশ সূত্রে খবর, দু’দিন ধরে নিখোঁজ ছিল ওই নাবালিকা। শনিবার শহরের এক নালার কাছ থেকে তার দেহ মেলে। সেখানেই একটি নির্মীয়মান বহুতলের মজুররা প্রথম পাথর চাপা অবস্থায় ওই নাবালিকার দেহ দেখতে পায়। তারায় পুলিশে খবর দেয়।
ওই নাবালিকা নিখোঁজ হওয়ার পরেই তার মা-বাবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ইন্দোরের পুলিশ সুপার অবদেশ গোস্বামী জানিয়েছেন, স্কুলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় নিখোঁজ হওয়ার দিন স্কুল ছুটির পরে অভিযুক্ত ব্যক্তি হানি অটওয়াল নাবালিকাকে নিজের সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন। তারপর থেকেই খোঁজ মিলছিল না নাবালিকার।
নাবালিকার মা পুলিশকে জানিয়েছেন, তিন দিন আগে মদ্যপ অবস্থায় তাঁদের বাড়িতে আসায় তাঁর স্বামী অপমান করেছিলেন হানিকে। এমনকী আর যেন হানি তাঁদের বাড়ি না যান, সে ব্যাপারে সাবধান করেছিলেন। সেই রাগেই হানি এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে তাঁদের অভিযোগ।
নাবালিকার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তার গোটা শরীরে আঘাতের চিহ্ন আছে। নিম্নাঙ্গে আঘাতের চিহ্ন ও রক্তক্ষরণ দেখে পুলিশ নিশ্চিত খুন করার আগে ধর্ষণ করা হয়েছে তাকে। নাবালিকার মা-বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে অভিযুক্ত হানি অটওয়ালের বিরুদ্ধে। এই মুহূর্তে তিনি পলাতক। তাঁর খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।

Be the first to comment