ন্যাশনাল গার্ল চাইল্ড ডে- উপলক্ষে শুভেচ্ছা মুখ্যমন্ত্রীর, তুলে ধরলেন মহিলাদের উন্নতিতে রাজ্য সরকারের একাধিক প্রকল্পের কথাও

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : আজ শনিবার ২৪ জানুয়ারি, ন্যাশনাল গার্ল চাইল্ড ডে। এই উপলক্ষে সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলে শুভেচ্ছা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সকালে এক্স হ্যান্ডলে তিনি শুভেচ্ছা জানিয়ে মহিলাদের শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে রাজ্য সরকার কী কী কাজ করেছে তাও তুলে ধরেন। তিনি লেখেন, ন্যাশনাল গার্ল চাইল্ড ডে-তে আমি বাংলার এবং ভারতের প্রতিটি কন্যাকে আমার হৃদয়ের গভীর ভালোবাসা এবং আশির্বাদ জানাই। তারা আমাদের সমাজের ভবিষ্যতের কারিগর। বাংলায়, আমরা কন্যাশিশুকে শুধুমাত্র একদিন নয়, বছরের প্রতিটি দিন, তার জীবনের প্রতিটি মোড়ে উদযাপন করি এবং শক্তিশালী করি। তার জন্ম থেকে শিক্ষা এবং স্বনির্ভরতার পথে, প্রতিটি পদক্ষেপে, আমাদের সরকার তাদের পাশে একটি সাহায্যকারীর ভূমিকায় আছে। এই যাত্রা শুরু হয় কন্যাশ্রী দিয়ে, যা একটি বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত এবং পুরস্কৃত পথপ্রদর্শক উদ্যোগ যা মেয়েদের শিক্ষা ও উন্নতিতে সহায়ক এবং যা তাদের অপ্রাপ্ত বয়সে বিবাহ থেকে দূরে রাখে। বছরের পর বছর ধরে ১ কোটি মেয়েকে আমরা এই প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা দিয়েছি যাতে তারা আনুষ্ঠানিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে থাকতে পারে। মেয়েদের জন্য আরেকটি প্রকল্প হল সবুজ সাথী। এই প্রকল্পে প্রতিটি পড়ুয়াকে একটি সাইকেল দেওয়া হয় যাতে স্কুলে যাতায়াত সহজ হয়। এর পাশাপাশি এই পড়ুয়ারা, শিক্ষাশ্রী, ঐক্যশ্রী, মেধাশ্রী, তরুণের স্বপ্ন-র মতো প্রকল্পগুলি থেকেও সমান ভাবে সাহায্য পান। স্কুল পড়ুয়াদের জন্য বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক, স্কুল ইউনিফর্ম, জুতো, মিড ডে মিল ইত্যাদি সরকারী সহায়তা পান। যখন মেয়েটির বিবাহ হয়, তখন সে আমাদের রূপশ্রী প্রকল্পের অধীন এককালীন আর্থিক সহায়তা পায়। তারপর, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মহিলা লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে নাম লেখান, যা এখন বাংলার ২.২১ কোটি মহিলাকে আর্থিক স্বাধীনতা দেয় যারা রাজ্য সরকার থেকে সরাসরি তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে নগদ টাকা পান। পরিবারের প্রধান হিসেবে একজন মহিলা স্বাস্থ্যসাথী কার্ডও পান, যা তাকে এবং তার পরিবারকে বছরে ৫ লাখ টাকার স্বাস্থ্য বিমার কভারেজ দেয়। আজ, বাংলার কন্যারা বিজ্ঞানের পরীক্ষাগার থেকে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গণ পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করছে। আমরা তাদের এমন একটি পরিবেশ প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে তারা অবাধে শ্বাস নিতে পারে, নির্ভয়ে শিখতে পারে এবং সাহসের সাথে নেতৃত্ব দিতে পারে।
জয় হিন্দ! জয় বাংলা!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*