নিজাম প্যালেসে ঠিক কি ঘটেছে? পুঙ্খানুপুঙ্খ রিপোর্ট যাচ্ছে দিল্লিতে

Spread the love

পাঁচ বছর পর নারদকাণ্ড ঘিরে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। রাজ্যের দুই মন্ত্রী-সহ মোট চার হেভিওয়েট নেতার গ্রেফতারি ঘিরে সোমবার থেকে উত্তেজনার পারদ চড়ছে। সূত্রের খবর, এবার নিজাম প্যালেসে মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থান ও দফতরের বাইরে বিক্ষুব্ধ জনতার রোষের ঘটনার বিস্তারিত জানানো হচ্ছে দিল্লিকে। সূত্রের খবর, রিপোর্ট যাচ্ছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকেও। সোমবারই রিপোর্ট পাঠিয়েছে সিআরপিএফ। মঙ্গলবার তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে পাঠানো হবে। অন্যদিকে সিবিআইয়ের তরফে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে পাঠানো বিস্তারিত রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর দফতর ও রাষ্ট্রপতির দফতরেও পাঠানো হচ্ছে বলে খবর।

সোমবার সাতসকালে নারদকাণ্ডে গ্রেফতার হন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, বিধায়ক মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়। তাঁদের গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয় সিবিআই দফতর নিজাম প্যালেসে। এরপরই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে নিজাম প্যালেস চত্বর। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে গিয়ে টানা কয়েক ঘণ্টা বসে ছিলেন তিনি। বাইরে তখন হাজার হাজার তৃণমূল সমর্থকের ভিড়, বিক্ষোভ। মুহূর্তে পরিস্থিতি অপ্রীতিকর হয়ে ওঠে। সিআরপিএফকে লক্ষ্য করে উত্তেজিত জনতা ঢিল ছোঁড়ে বলে অভিযোগ ওঠে।

প্রসঙ্গত, সোমবারই হাইকোর্টকে সিবিআই জানিয়েছিল তারা কাজ করতে পারছে না। নিজাম প্যালেসের বাইরে যে দৃশ্য দেখা গিয়েছে, সেই বিশৃঙ্খল ছবিকে হাতিয়ার করেই পালটা আবেদন জানানো হয় সিবিআই-এর তরফে। ২০১৭ সালের ঘটনাকে মনে করিয়ে সিবিআই জানায়, প্রতিবার তদন্ত করতে নামলেই নানা ভাবে বাধার সম্মুখীন হতে হয় তাদের।

এরইমধ্যে জানা যাচ্ছে এবার নিজাম প্যালেসে মুখ্যমন্ত্রীর ‘ধরনা’ ও বাইরে পাথর ছোঁড়ার বিস্তারিত বিবরণ রিপোর্ট আকারে আদালতকে জানাতে চলেছে সিবিআই। একইসঙ্গে দিল্লিতে সিবিআইয়ের সদর দফতরেও পাঠানো হচ্ছে রিপোর্ট। সঙ্গে থাকছে ভিডিয়ো ফুটেজ। সূত্রের খবর, সেই রিপোর্টই পাঠানো হচ্ছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, প্রধানমন্ত্রীর দফতর ও রাষ্ট্রপতির দফতরে।

অন্যদিকে সোমবারই সিআরপিএফও রিপোর্ট পাঠিয়েছে দিল্লিতে। তারা অভিযোগ করেছিল, উত্তেজিত জনতা তাদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোঁড়ে। জুতো ছুঁড়েও মারা হয় বলে দাবি করে তারা।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*