প্রেসিডেন্সি জেলে জ্বর এসেছে ফিরহাদ হাকিমের। এমনটাই জানালেন তাঁর আইনজীবী। তিনি জানান, অসুস্থবোধ করছেন ফিরহাদ হাকিম। সে কথা জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি। তবে মঙ্গলবার সকালেই বাবার সঙ্গে জেলে দেখা করতে যান মেয়ে সাবা। তিনি অবশ্য জ্বরের কথা অস্বীকার করে যান। তাঁর কথায়, “বাবা ভাল আছেন।”
এদিকে, প্রেসিডেন্সি জেলে অসুস্থ হয়ে পড়েন পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। বেলা সাড়ে দশটা নাগাদ তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সোমবার রাতেও তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে ফের তাঁকে জেলে নিয়ে আসা হয়।
সকাল ১০টা নাগাদ জেল সূত্রে জানা গিয়েছে, সকাল থেকে প্রেসিডেন্সি জেলে চা-জল ছাড়া কিছুই খাননি ফিরহাদ-সুব্রত। ব্রেক-ফাস্ট তাঁরা করেননি। অল্প কিছুক্ষণের জন্য ঘুমান। উদ্বেগের কারণেই তাঁর ঘুম হয়নি বলে জেল সূত্রে খবর। ভোর রাতে অসুস্থ হয়ে পড়েন মদন মিত্র ও শোভন চট্টোপাধ্যায়। রাত তখন ৩.৩০ মিনিট। আচমকাই শ্বাসকষ্টের সমস্যা শুরু হয় মদন মিত্রের। ভোট ৩.৪০ মিনিট নাগাদ প্রেসিডেন্সি জেল থেকে এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে নিয়ে আসা হয় মদন মিত্রকে। উডবার্ন ওয়ার্ডের ১০৩ নম্বর রুমে রয়েছেন তিনি। সমস্যা হয় শোভন চট্টোপাধ্যায়েরও। তাঁকেও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তাঁকে রাখা হয়েছে ১০৫ নম্বর রুমে। ভোর ৫টা ১৫ নাগাদ একবার ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের দরজায় কয়েক সেকেন্ডের জন্য দাঁড়িয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় শোভন চট্টোপাধ্যায়কে।

Be the first to comment