রোজদিন ডেস্ক :
এখন সংসদে যে ৫৪৩টি আসন আছে, তার ভিত্তিতে কেন মহিলাদের সংরক্ষণ দেওয়া হচ্ছে না বলে প্রশ্ন তুললেন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। মহিলাদের সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে কেন লোকসভার আসন বৃদ্ধি করতে হবে তিনি জানতে চান। এই সংরক্ষণকে সামনে রেখে বিজেপি লোকসভার আগামী নির্বাচনে নিজেদের দলের কাঠামোকে শক্তিশালি করতে চাইছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
উত্তাল পরিবেশে আজ দিনভর সংসদে মহিলা সংশোধনী বিল নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রীকে বিঁধে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, ২০২৩ সালে এই সরকারই বলেছিল, নতুন জনগণনা, এলাকা পুনর্বিন্যাসের পর মহিলা সংরক্ষণ বিল কার্যকর হবে। এখন তড়িঘড়ি তা কার্যকরের নেপথ্যে কেন্দ্রের শাসক দলের অন্য অভিসন্ধি আছে। ২০১১-র ভিত্তিতে এই কাজ ওঁরা করতে চাইছেন, কারণ ওই সময়ের জনগণনায় ওবিসিদের হিসাবই নেই। একে কোনমতেই লঘু করে দেখা যায় না। জাতিভিত্তিক জনগণনা না হওয়া অবধি সব বর্গের মানুষ যথোপযুক্ত জন প্রতিনিধি পাবে না বলে তিনি জানান।
ওবিসিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বড় অন্যায় করতে চলেছেন জানিয়ে দৃপ্তভাবে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, কংগ্রেস কখনোই তা হতে দেবে না।
কংগ্রেস সাংসদ কে সি বেণুগোপাল এই সংশোধনী বিল প্রত্যাহার করে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকার দাবি করেন।
প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আরও বলেন, এই সংশোধনী বিল গৃহীত হলে দেশের গণতন্ত্রও শেষ হয়ে যাবে।
সমাজবাদী নেতা সাংসদ অখিলেশ যাদব বলেন, তাঁরা মহিলা বিল সমর্থন করেন, কিন্তু যে পদ্ধতিতে তড়িঘড়ি তা আনা হোল, তাঁরা এর বিরোধী।
টিএমসি-র কাকলি ঘোষ দস্তিদার ও বলেন, মহিলা সংরক্ষণ সংশোধনী বিল আসলে দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়া বদল ও এলাকা পুনর্বিন্যাসের ছদ্মবেশ মাত্র।
কেন কেন্দ্র হঠাৎ এই বিল আনলো তিনি বিস্ময় ব্যক্ত করেন। বলেন, এর আগে তাঁরা যখন পহেলগাঁও, অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বিশেষ অধিবেশন ডাকতে বলেছিলেন, তা মানা হয়নি।
দেশে বিধানসভা নির্বাচন চলাকালীল এই তিনটি বিলের নেপথ্যে বিজেপির অভিসন্ধি আছে বলে তিনি মনে করেন।
আগামীকালও এই বিলগুলির ওপর আলোচনা চলার কথা।

Be the first to comment