রোজদিন ডেস্ক :
আর জি করে লিফটে আটকে মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারানো যুবকের দেহে প্রচুর আঘাতের চিহ্ন মিলেছে। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে প্রকাশ, তাঁর হাত, পা, পাঁজরের হাড় ভেঙেছে। ফেটেছে হৃদপিণ্ড, যকৃত, ফুসফুসও। কিভাবে এত আঘাত লাগলো তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে।
প্রয়াত অরূপ ব্যানার্জির বাবা অমল ব্যানার্জির অভিযোগের ভিত্তিতে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
তিনজন লিফট চালক ও দুই নিরাপত্তা রক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদও করছে পুলিশ।
কেন লিফট চালক ছিলেন না, কেনই বা লিফটের বন্ধ দরজা খুলতে, বা তা থামাতে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তা নিয়ে ইতিমধ্যে বহু প্রশ্ন উঠেছে।
আর জি করের সুপার সপ্তর্ষি চ্যাটার্জি জানান, ওঁর পরিবার জানিয়েছেন, লিফট প্রথমে ঠিকই চলছিল, একটি বোতাম চাপার পর তা ওঠা নামা করে। এতে তাঁরা আতঙ্কিত হয়ে ওঠেন। লিফট এক জায়গায় থামার পর নামতে গিয়ে তিনি আটকে পড়ে আহত হন।
একে প্রশাসনিক ব্যর্থতা বলে মেনে নেন সুপার। বলেন, লিফট চালক থাকলে হয়ত এই মর্মান্তিক ঘটনা হোত না।
এখন থেকে লিফট চালক ছাড়া লিফট চালানো হবে না বলে তিনি জানান।
অন্যদিকে উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য ভবন এই ঘটনার রিপোর্ট চেয়েছে বলে জানা গেছে।
হাসপাতালের রেসিডেন্ট চিকিৎসকদের সংগঠনও এই বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের দাবিতে সুপারকে স্মারকলিপি দেন। ট্রমা কেয়ার ভবনের ভিড় কমাতে আগের মত জরুরি কক্ষ চালু সহ একাধিক দাবি জানান তাঁরা।

Be the first to comment