ফের শিরোনামে ওড়িশা, ১৫ বছর বয়সী কিশোরীকে আগুনে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা, এটা কি তাহলে “বেটি পোড়াও প্রকল্প ছিল?” – তীব্র প্রতিক্রিয়া তৃণমূলের

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:-এক সপ্তাহ আগেই বালেশ্বরে ফকিরমোহন কলেজে ঘটে ছাত্রী আত্মদাহের ঘটনা। তার রেশ কাটতে না কাটতেই ওড়িশার পুরীতে ফের ঘটল এক নৃশংস ঘটনা। শনিবার বাইয়াবার গ্রামে নিজের বন্ধুর বাড়িতে যাওয়ার পথে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে আগুনে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করল তিন দুষ্কৃতি। বর্তমানে ভুবনেশ্বর এইমসে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন সে। জানা যায় শনিবার রাস্তায় কিশোরীর গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয় তিন দুষ্কৃতি। ঘটনার পরেই এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয় তারা। খবর পেয়েই পুলিশ তদন্তে নামে। ইতিমধ্যে দোষীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

গতকালই বাংলায় এসে ওড়িশা মডেলের কথা বলে গেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, তার একদিন পরে, আজকেই পুরীতে মর্মান্তিক ঘটনা। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি শাসিত রাজ্যে এক সপ্তাহের মধ্যে দুটি ভিন্ন গায়ে আগুন ধরানোর ঘটনায় ইতিমধ্যেই সরগরম জাতীয় রাজনীতি।

তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সরব হয়েছেন এ রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা, সাংসদ সাগরিকা ঘোষ। শশী পাঁজা এই ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করে বলেন “প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্পের নাম কি ছিল ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও নাকি বেটি পোড়াও?’ তিনি এদিন বলেন, ‘বিজেপি একটি কুশাসনের দল। আর জাতীয় মহিলা কমিশন এবিষয়ে চুপ কেন? বিজেপি শাসিত রাজ্য বলে তারা সেখানো পৌঁছাননা। অথচ বিজেপি বিরোধী রাজ্যে তারা কিছু হলেই চলে আসে।’

এ বিষয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানান সাংসদ সাগরিকা ঘোষও। তিনি বলেন, ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’ এটা ভারতীয় জুমলা পার্টির একটা স্লোগান। বিজেপি কোনোদিন নারী সুরক্ষা দিতে পারেনি।”

উল্লেখ্য, এক সপ্তাহ আগেই, ১২ জুলাই, বালেশ্বরের ফকির মোহন কলেজ ক্যাম্পাসে নিজেকে আগুনে পুড়িয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ২০ বছরের এক ছাত্রী। অভিযোগ, কলেজের এক সহকারী অধ্যাপকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ জানিয়েও কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় হতাশ হয়ে এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন ওই ছাত্রী। ১৪ জুলাই রাতে ভুবনেশ্বর এইমসে মৃত্যু হয় তাঁর।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*