রোজদিন ডেস্ক : নেপালের ভাবী অন্তর্বতী প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কারকি (sushila karki) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজিকে খুবই শ্রদ্ধা করেন। ওঁর সম্পর্কে খুবই ভাল ধারণা আছে তাঁর। নেপালের অন্তর্বতী প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণে রাজী তিনি, আশা এই কাজে ভারতের পূর্ণ সহযোগিতা পাবেন তিনি।
প্রসঙ্গত অগ্নিগর্ভ নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ওলি দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। ওই দেশের গণবিক্ষোভের মূল কারিগর তরুণ প্রজন্মের প্রথম পছন্দ শীর্ষ আদালতের প্রাক্তন বিচারপতি সুশীলা কারকি। টালমাটাল দেশের হাল ধরতে তাঁকেই অন্তর্বতী প্রধানমন্ত্রী করতে চান তাঁরা। স্বচ্ছ ভাবমূর্তির সুশীলার এই দায়িত্ব নিতে আপত্তি নেই।
ভারতের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কও নিবিড়। বারানসী বিখ্যাত হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রী তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে খুবই শ্রদ্ধা করেন। দেশের এই পরিস্থিতিতে ভারত পাশে থাকবে বলে আশা তাঁর।
দেশের পরিস্থিতি এই মূহুর্তে যে খুবই কঠিন তা মানেন তিনি। জানান, অতীতেও বহু সমস্যা ছিল দেশে। এই সময় দেশের তরুণ প্রজন্মের দাবিগুলিকেই অগ্রাধিকার দিতে চান তিনি। গণ বিক্ষোভে অকালে ঝরে যাওয়া তরুণ প্রাণগুলির পরিবার পরিজনের পাশে দাঁড়াতে চান।
অগ্নিগর্ভ নেপালের পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক নয়। শান্তি ফেরাতে পথে নেমেছে সেনা বাহিনী। চলছে অতন্দ্র প্রহরা। কোথাও নতুন করে গোলমাল যাতে না বাধে সেদিকে প্রখর নজর তাদের।
টালমাটাল পরিস্থিতির সুযোগে দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে বন্দিরা পালিয়েছে। বহু দুষ্কৃতিও আছে তাদের মধ্যে। যা নিয়ে চিন্তিত ওই দেশের আমজনতা।
ভারত সীমান্তে ও চলছে কঠোর নজরদারি। ওপার থেকে দুষ্কৃতি, সন্ত্রাসীরা কেউ যাতে এদিকে না আসে, উত্তরবঙ্গ-সহ দেশের সব রাজ্যের নেপাল সীমান্তে লাগাতার নজরদারি চলছে।

Be the first to comment