প্রতিবেদন : ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথম চমক। অঘটনও বলা যেতে পারে। ২০১০-এর বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ও ২০০৮ ও ২০১২-র ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেনকে রুখে দিল বিশ্বকাপে নবজাতক কেপ ভার্দে। খেতাবের অন্যতম দাবিদার স্পেনের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করল তারা। গোটা ম্যাচে নিজেদের মধ্যে অজস্র পাস খেলল স্প্যানিশরা। কিন্তু গতি ছিল না আক্রমণে। ফলে আক্রমণ রুখতে বাড়তি সময় পেয়ে যাচ্ছিলেন কেপ ভার্দের ডিফেন্ডাররা। এতদিন কেপ ভার্দের পরিচয় ছিল বিশ্বকাপে খেলা সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম দেশ হিসেবে। এবার বিশ্বকাপের মতো গ্রেটদের মঞ্চে স্প্যানিশ আর্মাডাকে থামিয়ে দিয়ে নতুন পরিচয় তৈরি করল তারা। কেপ ভার্দের তিন কাঠির নীচে দুর্ভেদ্য ছিলেন গোলকিপার ভোজিনহা। স্প্যানিশরা নিরঙ্কুশ প্রাধান্য নিয়ে খেলেও, যে কোনও গোল করতে পারেনি, তার জন্য কৃতিত্ব দিতে হবে এক এবং একমাত্র ভোজিনহাকে। একের পর এক নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে দেশকে ঐতিহাসিক মুহূর্ত উপহার দিলেন তিনি। পাল্লা দিয়ে লড়াই করলেন কেপ ভার্দের বাকি অখ্যাত ফুটবলাররা।
স্পেনের দুই তরুণ উইঙ্গার ইয়ামাল ও নিকো উইলিয়ামসকে বাকি টুর্নামেন্টের জন্য বাঁচিয়ে রাখতে প্রথম একাদশে রাখেননি স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। মাঝমাঠে রদ্রি, পেদ্রিরা ছিলেন। তবে আক্রমণ সাজালেন গাভি, ফেরান তোরেস ও মিকেল ওয়ারজাবালকে দিয়ে। মাঝ মাঠের দখল ছিল পুরোপুরি স্পেনের পায়ে। কিন্তু তারা খেই হারাল অ্যাটাকিং থার্ডে গিয়ে। ফলে সব হলেও গোল হল না। এক পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়ল জাভি, ইনিয়েস্তাদের উত্তরসূরীরা। এদিন, বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচে মাঠে নেমেই জোড়া নজির গড়ল কেপ ভার্দে। স্পেনের বিপক্ষে তাদের শুরুর একাদশের গড় বয়স ৩১ বছর ২৬ দিন। যা চলতি বিশ্বকাপে সবথেকে বেশি বয়সী একাদশ। পাশাপাশি এই প্রথমবার একই বিশ্বকাপের আসরে দুজন ৪০ বছর বা তার বেশি বয়সের গোলকিপারের সাক্ষী রইল ফুটবল দুনিয়া। ভোজিনহা ও জার্মানির ম্যানুয়েল নয়্যার।

Be the first to comment