শবরীমালা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়কে সমর্থন করার কারণেই স্বামী সন্দীপানন্দের আশ্রমে আগুন; পড়ুন!

Spread the love
শবরীমালা মন্দিরে অবাধ মহিলা প্রবেশের সুপ্রিম রায়কে সমর্থন করেছিল কেরলের স্বামী সন্দীপানন্দের আশ্রম। শুক্রবার গভীর রাতে সেই আশ্রমেরই এক অংশে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হল।
তিরুবনন্তপুরমের একটি প্রত্যন্ত এলাকায় স্বামী সন্দীপানন্দের আশ্রম। শুক্রবার আশ্রম চত্বরের একটি মেয়েদের স্কুলে আগুন লাগান হয়। পাশপাশি, ২টি গাড়ি ও একটি স্কুটারেও আগুন লাগায় হামলকারীরা। রাত আড়াইটের সময় আশ্রমে হামলা চলে। দাউ দাউ করে আশ্রমের এক অংশ জ্বলতে দেখেন আবাসিকরা।
সন্দীপানন্দ আশ্রমের প্রধান স্বামী সন্দীপানন্দ গিরির অভিযোগ, শবরীমালা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়কে সমর্থন করার কারণেই আশ্রমে আগুন লাগান হয়েছে। শবরীমালায় মহিলার অবাধ প্রবেশের সুপ্রিম রায়কে সমর্থন করে বেশ কয়েকটি মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন সন্দীপানন্দ। তিনি জানান, তারপর থেকেই হুমকি ফোন পাচ্ছিলেন তিনি। আশ্রমেও হুমকি চিঠি আসতে থাকে।
আবাসিকদের অভিযোগ, শবরীমালা বাঁচাও কমিটির সদস্যরাই আশ্রমে আগুন লাগিয়েছে।অবশ্য, আশ্রমের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে মুখ খোলেনি শবরীমালা বাঁচাও কমিটি।গোটা ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। তাঁর দাবি, যে কোন সময় আইন হাতে নিয়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে শবরীমালা বাঁচাও কমিটির সদস্যরা। আশ্রমে আগুন লাগার ঘটনার তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে,শবরীমালা বাঁচাও কমিটির বিরুদ্ধে স্বামী সন্দীপানন্দ অভিযোগ দায়ের করেছেন কি না, তা এখনও জানা যায়নি।
অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শবরীমালা বাঁচাও কমিটির সমালোচনা করলেও, শবরীমালা কাণ্ডে কয়েক হাজার বিক্ষোভকারীর গ্রেফতারের নিন্দা করেছে কেরল হাই কোর্ট। শনিবার কেরল পুলিশের তীব্র নিন্দা করে কেরল হাই কোর্টের প্রশ্ন, কোনওরকম অভিযোগ ছাড়া হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে কীভাবে গ্রেফতার করা হচ্ছে। রিপোর্ট অনুসারে গত এক মাসে ২০৬১ বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদের বেশিরভাগই শবরীমালা বাঁচাও কমিটির সদস্য।
হাই কোর্টের নিন্দার জেরে কেরল পুলিশ বিপাকে বলেও মনে করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে,সন্দীপানন্দের আশ্রমে আগুন লাগানোর ঘটনাকে কতটা শক্ত হাতে সামলাবে পুলিশ, তা কঠিন প্রশ্ন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*