রোজদিন ডেস্ক: তারাতলা বিপর্যয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও কি তদন্তের আওতায় আসতে পারেন? সোমবার বিধান সভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী র বক্তব্য এই জল্পনা কে উসকে দিয়েছে। গুন্ডা দমন বিলের ওপর বক্তব্য রাখার সময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি, তাঁর সরকারকে একের পর এক তোপ দাগেন মুখ্যমন্ত্রী।
তারাতলা বিপর্যয় নিয়ে ইতিমধ্যেই তৃণমূলের দুই শিবিরে চাপান উতর তুঙ্গে উঠেছে । মমতাপন্থী বিধায়ক কুণাল ঘোষ আগেই দাবি করেছেন, দায় থাকলে প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম কে গ্রেফতার করা হোক। সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জি নাম না করে প্রাক্তন মেয়র কে ঠুকে বলেন, কালী ( প্রাক্তন মেয়রের আপ্ত সহায়ক) কে গ্রেফতার করা হয়েছে, তবে দোয়াত কে? দোয়াত, কলম কেও যেন ছাড়া না হয়।
আজ বিধান সভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ফিরহাদ হাকিম কে গ্রেফতার নিয়ে কুণাল ঘোষের সময়সীমা নিয়ে বলেন, উনি প্রাক্তন মেয়র কে গ্রেফতারের সময় বেঁধে দিয়েছিলেন!! যাকে তোলার ( পড়ুন কালীচরণ ব্যানার্জি) তাঁরা তুলেছেন।
এরপর অত্যন্ত তাৎপর্য পূর্ণ ভাবে কল্যাণ ব্যানার্জি র মন্তব্য নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন,কলম যদি ফিরহাদ হাকিম হন,তবে দোয়াতের নাম মমতা ব্যানার্জি! কালীর সঙ্গে কলম গেলে দোয়াত কেও তো যেতে হবে! গেলে তো তাহলে সবাইকে একসঙ্গেই যেতে হবে। এরপর বিরোধী দের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রী বলেন,এই সরকার প্রমাণ ছাড়া কিছু করবে না। তদন্ত চলছে। কাউকে ছাড়া হবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তাঁর এই কড়া মন্তব্য নিয়ে জল্পনা এখন তুঙ্গে উঠেছে। বিধান সভায় মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী র নাম করে আক্রমণ শানান, তা তাৎপর্য পূর্ণ বলে ওয়াকিবহাল মহল মনে করেন।

Be the first to comment