থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সংঘাত, ১১০০ বছরের পুরোনো শিব মন্দির ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:- থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে সীমান্ত সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করেছে, যার মূলে রয়েছে একটি প্রাচীন শিব মন্দিরের মালিকানা নিয়ে বিবাদ। গত ৪৮ ঘণ্টায় দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে ১৬ জনেরও বেশি প্রাণ হারিয়েছেন এবং লক্ষাধিক মানুষ ভিটেমাটি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে থাই সরকার কম্বোডিয়া সীমান্তবর্তী আটটি জেলায় সামরিক আইন জারি করেছে।
১৯৬২ সালে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ) মন্দিরটি কম্বোডিয়ার ভূখণ্ডের মধ্যে অবস্থিত বলে রায় দিলেও, থাইল্যান্ড মন্দিরের চারপাশের ৪.৬ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে অমীমাংসিত বলে দাবি করে আসছে। ২০০৮ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে মন্দিরটির তালিকাভুক্তি থাইল্যান্ডকে ক্ষুব্ধ করে এবং উত্তেজনা বাড়ায়। ২০১৩ সালে আদালত আবারও কম্বোডিয়ার সার্বভৌমত্ব পুনর্ব্যক্ত করে এবং সামরিক নিরস্ত্রীকরণ অঞ্চল তৈরির প্রস্তাব দেয়, যা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। এই অমীমাংসিত সীমান্ত এবং ঐতিহাসিক মন্দির নিয়ে চলমান বিরোধের ফলে উভয় দেশের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা প্রায়শই ঘটে।

এবার টানা দু’দিন সংঘর্ষ চলার পর থাইল্যান্ডের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির ডাক দিল কম্বোডিয়া । রাষ্ট্রপুঞ্জে কম্বোডিয়ার রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, থাইল্যান্ডের সঙ্গে তাঁরা ‘তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি’ চান। দু’দিনের সংঘর্ষের পর ব্যাঙ্ককও বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় রাজি হয়েছে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*