রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:- মেয়াদ দু’বছর বাকি থাকতে কেন উপরাষ্ট্রপতি থেকে ইস্তাফা দিলেন জগদীপ ধনখড়? উঠে আসছে নানা প্রশ্ন!
স্বাস্থ্যজনিত কারণেই ধনকড় ইস্তফা দিয়েছেন বলে যদিও দাবি করেছেন তিনি কিন্তু বিরোধীদের প্রশ্ন, বিনা রাজনৈতিক কারণে বা কোনও চাপ ছাড়াই কি আচমকা কেউ এভাবে ইস্তফা দিতে পারেন?
এক বিশেষ সূত্রের খবর দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি যশবন্ত বর্মার বাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধারের ঘটনায় বিরোধীদের প্রস্তাব গ্রহণ করাতেই ধনকড়কে সরকারের বিরাগভাজন হতে হয়। সংসদের বাদল অধিবেশনে বিচারপতি বর্মাকে ইমপিচ করার প্রস্তাব জমা পড়তে পারে বলে আগেই খবর মিলেছিল। মঙ্গলবার সেই মতো বিরোধীদের আনা প্রস্তাব গ্রহণ করেন জগদীপ ধনকড়।
সূত্রের খবর, তাঁর এই সিদ্ধান্ত মনঃপুত হয়নি কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারের। বিচারপতি বর্মাকে সরানোর প্রথম প্রস্তাব কেন্দ্রই জমা দিতে চেয়েছিল, যাতে দুর্নীতি বিরোধী ভাবমূর্তি বজায় থাকে। সেই মতো নিজের দলের সাংসদ থেকে বিরোধী সাংসদদের সই সংগ্রহ করে লোকসভায় পেশ করার পরিকল্পনা ছিল কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের। কিন্তু ধনকড় বিরোধীদের প্রস্তাব গ্রহণ করায়, তাদের সেই পরিকল্পনা ধাক্কা খায়।
একটি বিশেষ সূত্র বলছে, ধনকড় যদি সরকারকে ওই প্রস্তাবের ব্যাপারে কিছু জানাতেন, সেক্ষেত্রে বিজেপি সাংসদরাও তাতে সই করতেন। তাহলে সরকার যে দুর্নীতির সঙ্গে আপোস করে না, সেই বার্তা দেওয়া যেত দেশকে।

Be the first to comment