রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:- জঙ্গিদের মদত দেওয়ার অভিযোগে পাকিস্তানকে তুলোধনা করলেন, সঙ্গে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরলেন কাশ্মীরকে। শুক্রবার জাকার্তায় ভারতীয় ব্যবসায়ী এবং প্রবাসীদের সামনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য চুম্বকে এটাই।
পাকিস্তানের থোঁতা মুখ ভোঁতা করে দেওয়ার কোনও সুযোগই এ দিন ছাড়েননি অভিষেক। সম্প্রতি জঙ্গিদের শেষকৃত্যে পাকিস্তানি সেনাকর্তাদের যোগ দেওয়ার ছবি ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেই প্রসঙ্গ টেনে অভিষেক বলেন, ‘ভাবতে পারছেন, সেনা কর্তারা জঙ্গিদের শেষকৃত্যে যোগ দিচ্ছেন! এই ছবি এখন পাবলিক ডোমেনে রয়েছে। বিশ্বকে আর কী প্রমাণ দেবে ভারত!’
জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর ঘুরে প্রতিনিধি দলের সঙ্গে অভিষেকরা পৌঁছেছেন জাকার্তায়। তুলে ধরছেন পাকিস্তান ও সন্ত্রাসী যোগসূত্র। সেখানেই প্রবাসীদের সামনে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘টেরর’ এবং ‘টক’ একসঙ্গে চলতে পারে না। অভিষেক বলেন, ‘আমি বিরোধী দলের সাংসদ। আমি মনে করি, পাকিস্তানের সঙ্গে অনেক কথা হয়েছে। টেরর আর টক একসঙ্গে হবে না।’
তৃণমূল সাংসদ মনে করিয়ে দেন, এই মাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, মহাত্মা গান্ধী, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর মাটি। সহিষ্ণুতা, মানবিকতার কথা বলতে কখনও পিছপা হয় না। এরপর কিছুটা কটাক্ষের সুরেই বলেন, ‘অনেকে জিজ্ঞাসা করেন, পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনায় বসছি না কেন? গত ৫০ বছর ধরে অনেক আলোচনা হয়েছে। এ বার আলোচনা করলে পাক অধিকৃত কাশ্মীর ফেরানো নিয়ে কথা হবে।’
৯/১১ থেকে শুরু করে ২৬/১১, মুম্বই ব্লাস্ট-সহ জঙ্গি হামলার সঙ্গে পাকিস্তানের যোগ রয়েছে বলে দাবি করেন অভিষেক। টেনে আনেন ওসামা বিন লাদেনের প্রসঙ্গও। সাফ বলে দেন, ‘পাকিস্তানের অ্যাবটাবাদ থেকেই লাদেনকে পাওয়া গিয়েছিল।’ তাঁর মতে পাকিস্তানের জঙ্গি যোগের এটাও বড় প্রমাণ।
বক্তব্যের শেষ পর্বে কাশ্মীরকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরেন অভিষেক, ‘ভারতে বেড়াতে এলে যদি সাত দিনের ট্যুর হয়, অনুরোধ করব, আরও তিন দিন বাড়তি থাকুন। ওই তিন দিন পরিবার নিয়ে কাশ্মীরে যান। কাশ্মীরের উন্নতির জন্য যান।’

Be the first to comment