৬ দিনের ইডি হেফাজত শেষে শনিবার আদালতে পেশ করা হয়েছিল নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে। শনিবার আদালত তাঁকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শ্রীঘরে থাকতে হবে অভিযুক্ত বিধায়ককে।
উল্লখ্য, এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের বড়ঞার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। মুর্শিদাবাদের কান্দির আন্দি গ্রামে তাঁর বাড়িতে গত সোমবার সকালে অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের দেখেই পিছনের দরজা দিয়ে পালাতে যান তিনি। এমনকী ধরা পড়ার আগে নিজের মোবাইল ফোনও ঝোপে ফেলে দেন বলে দাবি ইডির।
ইডি সূত্রে জানা যায়, জীবনকৃষ্ণ সাহা মুর্শিদাবাদ ছাড়াও দুই দিনাজপুর, মালদহ ও বীরভূমে চাকরি বিক্রির একটি বিশাল “সাম্রাজ্য” চালাতেন। ১৫ জন এজেন্ট এবং তাদের মাধ্যমে প্রায় ৫০ জন সাব-এজেন্টকে কাজে লাগিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হতো। ২০১৯ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে তাঁর স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা জমা হয়েছে বলে ধারণা ইডি’র। বিধায়ক হওয়ার পর সম্পত্তির পরিধিও বেড়েছে, ২০১৯-২০ থেকে ২০২২-২৩ পর্যন্ত একের পর এক বেনামি সম্পত্তি কেনা হয়েছে ঘনিষ্ঠদের নামে।

Be the first to comment