রোজদিন ডেস্ক : রাজ্যে SIR এর বিরুদ্ধে নির্বাচন দফতরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে আজ সরগরম কলকাতা। এর প্রক্রিয়া ও প্রস্তুতি নিয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন এর প্রতিনিধিরা যখন রাজ্য নির্বাচন দফতরের সঙ্গে বৈঠকে ব্যস্ত, বাইরে তখন এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন শাসক দল প্রভাবিত দেশ বাঁচাও মঞ্চের প্রতিনিধিরা।
সম্প্রতি বিহার বিধানসভা নির্বাচনের কয়েক মাস আগে ওখানে নির্বাচন কমিশনের তড়িঘড়ি SIR নিয়ে সরব হন বিরোধী পক্ষ। বিস্ময় প্রকাশ করে শীর্ষ আদালতও।
গত মাসের শেষ দিকে এসআইআরের ভিত্তিতে বিহারে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হলেও এখনও তা নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত। এই আবহে এই রাজ্যেও এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের তৎপরতায় প্রশ্ন উঠেছে। আজ দেশ বাঁচাও গণ মঞ্চের প্রতিনিধিরা এর প্রতিবাদে নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে তুলোধোনা করেন।
শুধু ভোটার তালিকা নয়, কিভাবে কেন্দ্র নানাভাবে রাজ্যকে বঞ্চনা করছে তাও তুলে ধরেন বক্তারা।

সংগঠনের অভিযোগ, পিছন দরজা দিয়ে বিজেপিকে সহায়তা করছে নির্বাচন কমিশন। শীর্ষ আদালতের তিরস্কারেও তাদের কোন লজ্জা, হেলদোল নেই। যেভাবে হোক বিজেপিকে জয়ী করাই তাদের মূল লক্ষ্য।
রাজ্যে সংখ্যালঘু , রোহিঙ্গাদের জুজু দেখিয়ে বিজেপি ভোট চুরি করতে চায় বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।
দেশ বাঁচাও মঞ্চের দাবি, গত বছরের লোকসভা নির্বাচনের ভোটার তালিকা অনুযায়ীই রাজ্যে ভোট করতে হবে৷ বিএলও বা তৃতীয় পক্ষের কথামত ভোটার তালিকা থেকে কারও নাম বাদ দেওয়া যাবে না। ভোটার নিজে বা তাঁর পরিবারের সঙ্গে এই সব নিয়ে কথা বলতে হবে। ২০০৩ সালের নাগরিক সংশোধনী বাতিল করারও তাঁরা দাবি জানান।

রাজ্যে ডুপ্লিকেট ভোটার কার্ড বানিয়ে ভোট চুরির চেষ্টা হচ্ছে বলেও তাঁরা খবর পেয়েছেন।
এই সবের বিরুদ্ধে তাঁদের প্রতিবাদ জারি থাকবে বলে হুশিয়ারি দেন।

এই বিক্ষোভ মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সমাজকর্মী সুশান রায়, পরিচালক সুদেষ্ণা রায়, সমাজকর্মী বাসুদেব ঘটক, প্রবীণ সাংবাদিক রন্তিদেব সেনগুপ্ত, বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী সৈকত মিত্র, নাজমুল হক, অমিত কালী, অভিনেতা রাহুল চক্রবর্তী, অভিনেতা ভিভান ঘোষ, অভিনেত্রী সোমা চক্রবর্তী, অধ্যাপক কুন্তল ঘোষ, অধ্যাপক দীপঙ্কর দে, জাতীয় বাংলা সম্মেলনের সভাপতি সিদ্ধব্রত দাস, সাংবাদিক সুমন ভট্টাচার্যের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
ছিলেন পুর্ণেন্দু বসু ও। তিনি এস আই আর নিযে নাগরিকদের উদ্বেগের বিষযটি ব্যাখ্যা করেন


Be the first to comment