রোজদিন ডেস্ক : দুর্গাপুর কাণ্ডে গণধর্ষণ হয়নি। এটা মোটামুটি গত কয়েকদিন তদন্তের পর নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। কিন্তু ঘটনার পিছনে কী কারণ, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেদিন সন্ধ্যায় অভিযুক্তদের সঙ্গে ঠিক কী নিয়ে কেন বচসা হয়েছিল? কেন তাঁর মোবাইল কেড়ে নেয় অভিযুক্তরা, সবই জানার চেষ্টা চলছে। আগে থেকে তাঁদের মধ্যে কোনও সমস্যা ছিল কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রথম থেকেই গোটা ঘটনায় পুলিশের নজরে ছিল নির্যাতিতার সহপাঠীর ভূমিকা। মঙ্গলবার তাকেও হেফাজতে দিয়েছে পুলিশ। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে আরও গভীরে ঢুকতে চাইছে তারা। বাদ যাচ্ছে না কলেজ কর্তৃপক্ষের ভূমিকাও। কলেজের হোস্টেলে কি ধরনের নিয়ম কানুন আছে, তা কতটা মানা হয়, নিরাপত্তা সংক্রান্ত কি কি বিধি নিষেধ রয়েছে তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি ধৃত ৫ অভিযুক্তকে টানা জেরা করা হচ্ছে।জঙ্গলে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পূননির্মাণ করা হয়েছে। সেদিন রাতে ব্যবহৃত অভিযুক্তদের জামা কাপড়ও তাঁদের বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসবই তদন্তের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলেই মনে করছে পুলিশ। ঘটনার পর নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী। তিনিও সবরকম ভাবে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। ওই ছাত্রীকে নিজের রাজ্যের কোনও মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করানো যায় কিনা সেরকম সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে ওড়িশা সরকার। ইতিমধ্যে হাইকোর্টের নির্দেশে অনুমতি ছাড়া কলেজ ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের ঢোকার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। এতে খুশি কলেজের বাকি পড়ুয়া ও অভিভাবকরা। তবে কলেজের ও হস্টেলের মেয়েদের মধ্যে আতঙ্ক এখনও কাটেনি।

Be the first to comment