রোজদিন ডেস্ক : যুবভারতী কাণ্ডে রাজ্য সরকারের পদক্ষেপ পরই মঙ্গলবার দুপুরে রাজ্যের বিরোধী নেতা, শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যুবভারতীতে শনিবার মানুষের যে ভোগান্তি হয়েছে তার মাশুল দিতে হবে। শুধু ইস্তফা দিয়ে পার পাওয়া যাবে না। মেসির কলকাতার ইভেন্ট যেভাবে পণ্ড হয়েছে, তাতে অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। দর্শকদের মানসিক ট্রমা হয়েছে, অরাজক ঘটনায় ছোট ছেলেমেয়েরা ভয় পেয়েছে, এতদিনের স্বপ্ন, সাধারণ মানুষের এতগুলো টাকা নষ্ট হয়েছে, সেই সঙ্গে বাংলার মুখ পুড়েছে। এর জন্য গ্রেফতার করতে হবে অরূপ বিশ্বাসকে।
ঘটনার পর পরই সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে ক্ষমা চেয়ে নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৎক্ষণাৎ অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অসীমকুমার রায়কে মাথায় রেখে মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ এবং স্বরাষ্ট্র সচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গড়ে দেন। এই তদন্ত কমিটি বিশৃঙ্খলার ঘটনায় রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার এবং বিধাননগরের কমিশনার মুকেশ কুমারকে শোকজ করেছে। আর তার পরই নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে অরূপ বিশ্বাস ইস্তফার ইচ্ছে প্রকাশ করেন।
অরূপ বিশ্বাসের পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারী এদিন আর এক মন্ত্রী সুজিত বসুকেও গ্রেফতারের দাবি জানান। শুধু তাই-ই নয়, স্টেডিয়ামে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় পুলিশ যাঁদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করেছে, তাঁদের দ্রুত ছেড়ে দেওয়া এবং টিকিটের সমস্ত টাকা ফেরত দিতে বলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষিত তদন্ত কমিটিকে ‘নাটক’ বলে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। সেই সঙ্গে রাজীব কুমারদের শোকজকেও আইওয়াশ বলেও উড়িয়ে দেন। তাঁর অভিযোগ, ওই তদন্ত কমিটিতে যারা রয়েছেন, যাঁরা তাঁদেরই এই ঘটনায় তদন্তের আওতায় আনা উচিত। ফলে এই তদন্ত তাঁর মতে কেলেঙ্কারিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা বলেই তোপ দাগেন তিনি।

Be the first to comment