রোজদিন ডেস্ক : মোদি সরকারের আরেকটি মানুষের মৌলিক অধিকার হরণকারী অপচেষ্টা নিয়ে এবার সরব বিরোধীরা। তাদের অভিযোগ, এবার কৌশলে গোটা দেশের মুখ বন্ধ করতে চাইছে কেন্দ্র। সদ্য সংসদে পেশ করা মোদি সরকারের অর্থনৈতিক সমীক্ষার সুপারিশ ঘিরে এমনই অভিযোগ তুলছে বিরোধীরা। কারণ, সমীক্ষা রিপোর্টে দু’দশকের পুরানো তথ্যের অধিকার আইন বা আরটিআইয়ের পুনর্বিবেচনা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, গোপনীয় তথ্য নিয়ে অহেতুক কৌতূহল-এ রাশ টানার প্রয়োজন আছে। অহেতুক বাড়তি তথ্যের প্রকাশ প্রশাসনিক কাজের গতিকে বাধা দিচ্ছে। তাই সুনির্দিষ্ট কিছু গোপন নথি ও সরকারি কর্তাদের আলোচনা ও তার খসড়া নথি ওই আইনের আওতার বাইরে রাখা যেতে পারে। বিরোধীদের অভিযোগ, এর আড়ালে আসলে নাগরিকদের তথ্য জানার সাংবিধানিক অধিকারে লাগাম পরাতে চায় কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। আম নাগরিকদের তথ্য জানার অধিকারকে স্বীকৃতি দিতেই মনমোহন সিংয়ের প্রথম ইউপিএ সরকার ২০০৫ সালে আইনটি তৈরি করে। লক্ষ্য ছিল দুর্নীতি রোধ করে সরকারি কাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। কিন্তু তৃতীয় এনডিএ সরকার সেই আরটিআই আইনকেই ধীরে ধীরে কৌশলে কবরে পাঠাতে চাইছে, অভিযোগ বিরোধী শিবিরের। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেও এর কড়া সমালোচনা করেছেন।

Be the first to comment