রোজদিন ডেস্ক : নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে রাজ্যের ক্ষোভ গড়ালো সিইসি-র সঙ্গে বৈঠকে ও। সূত্রের খবর, উভয় পক্ষের এই বৈঠকে বচসা, তর্কাতর্কি হয়ে উত্তাপ ছড়ায়। রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এই বৈঠকে চরম অপমানিত হয়েছেন বলে গুরুতর অভিযোগ করেন। বৈঠক থেকে বেরিয়ে দৃশ্যত ক্ষুব্ধ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, কেন্দ্রীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁর সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেছেন।
আজ সিইসি র সঙ্গে টিএমসি-র পক্ষে দুই মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ফিরহাদ হাকিম ও প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার বৈঠক করতে যান। সেখানে তাঁদের সঙ্গে জ্ঞানেশ কুমারের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়।
বৈঠক থেকে বেরিয়ে সিইসি-র বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, সিইসি তাঁদের জানান, তাঁরা যখন শীর্ষ আদালতে গেছেন এরপর তো আর কিছু বলার নেই। তাঁকে সিইসি “ডোন্ট শাউট” বলে চূড়ান্ত অপমান করেছেন। এখান থেকেই বোঝা গেছে মহিলাদের ওঁরা কি চোখে দেখেন!!
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, আমার চিৎকার করার কোন ইচ্ছা ছিল না। ওঁদের মনে হয়েছে আমার গলাটা একটু জোরে। বাংলার মহিলারা একটু জোর গলাতেই কথা বলে। এতে আপনার অসুবিধা হলে কিছু বলার নেই। আপনি একজন মহিলাকে কি করে বলেন যে চিৎকার করবেন না!! আমরা যখন জনগণের অধিকার নিয়ে কথা বলছি তখন কেন আমি আমার আওয়াজ তুলবো না? ” সিএসসি তাঁদের কথায় ক্ষিপ্ত ছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এসআইআরের পর রাজ্যের ভোটার তালিকা নিয়ে একগুচ্ছ অভিযোগ করেন তাঁরা। কমিশন তাঁদের সাফ জানিয়ে দেয়, যেহেতু তাঁরা শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন, তাঁদের আর তেমন কিছু করার নেই৷ ক্ষুব্ধ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরা শীর্ষ আদালতে গেছেন, বেশ করেছেন। ওখানে যাওয়ার তাঁদের অধিকার আছে। একজন ও বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায় তাঁরা এই দাবি জারি রাখছেন।
অন্য সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে যাওয়া রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমারকে দেখে পুলিশ কর্মীরা কুর্নিশ করেন।
যা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ব্যক্ত করেন বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী।

Be the first to comment