রোজদিন ডেস্ক :
উত্তরবঙ্গ, কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রার্থী নিয়ে তুমুল বিক্ষোভে জেরবার রাজ্য বিজেপি।
আজ বেলেঘাটার প্রার্থী নিয়ে দলীয় কর্মী সমর্থকদের বিক্ষোভে উত্তাল হয় সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য দফতর। গত বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী ভোট হিংসার বলি হয়েছিলেন ওই এলাকার অভিজিৎ সরকার। আজ এই বিক্ষোভে তাঁর দাদা বিশ্বজিৎ সরকারও ছিলেন। ভাই এর মৃত্যুর বিচারের দাবিতে আইনি লড়াই করছেন তাঁরা। আজ একরাশ ক্ষোভ উগরে তিনি বলেন, তাঁর ভাইকে খুন করেছিল তৃণমূল। তার বিরুদ্ধে তাঁদের লড়তে হচ্ছে। কিন্তু এই প্রার্থীকে নিয়ে লড়াই? নাকি তৃণমূলকে সুযোগ করে দেওয়ার পরিকল্পনা? তাঁরা এই প্রার্থীকে চান না।
দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, নেত্রী লকেট চ্যাটার্জি প্রমুখ বিক্ষোভ সামাল দেওয়ার প্রয়াস নেন। শমীক ভট্টাচার্য জানিয়ে দেন, দলের সিদ্ধান্তই এই বিষয়ে চূড়ান্ত।
মালদার বৈষ্ণব নগর, হুগলির বলাগড়ে ও দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে তুমুল বিক্ষোভ দেখান বিজেপির কর্মী সমর্থকরা।
বলাগড়ের প্রার্থী সুমনা সরকার তৃণমূলের জেলা পরিষদের সহ সভাপতিও ছিলেন।
প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভ ছড়িয়েছে শাসক তৃণমূল, বামফ্রন্ট শিবিরেও।
বসিরহাট উত্তর, বর্ধমানের খন্ডঘোষে শাসক দলের কর্মী সমর্থকরা ও দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। অনেকে প্রকাশ্যেই জানিয়েছেন, এই প্রার্থীদের হয়ে তাঁরা কাজ করবেন না।
কালিগঞ্জে গত বছর বোমায় নিহত ছোট্ট মেয়ে তমান্নার মা কে প্রার্থী করার বিরুদ্ধে স্থানীয় সিপিএমের একাংশ ক্ষুব্ধ।। প্রকাশ্যেই তা ব্যক্ত করার দায়ে সাত জন কে বহিষ্কার করেছে সিপিএম।
আইএসএফের সঙ্গে সমঝোতা, প্রার্থী বাছাই ইত্যাদি নিয়ে বামফ্রন্ট শরিক ফরোয়ার্ড ব্লক ক্ষুব্ধ। গতকাল দ্বিতীয় তালিকা ঘোষণার দিন তাঁরা কার্যত বয়কট করেন। যা সামাল দেওয়ার প্রয়াস নিচ্ছে বড় শরিক সিপিএম ও অন্যরা।

Be the first to comment