সিইসি-কে অপসারণ, বিরোধীদের নোটিশ খারিজ

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : পাঁচ রাজ্যে ভোটের মুখে তাঁকে অপসারণের দাবিতে সংসদে নোটিশ দিয়েছিলেন বিরোধী রা। সোমবার লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা ও রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সি ভি রাধাকৃষ্ণান সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আনা সেই নোটিশ খারিজ করেছেন।
পক্ষপাতিত্ব ও বৈষম্যের অভিযোগ এনে বিরোধী পক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে সংসদের প্রিসাইডিং অফিসারদের কাছে এই নোটিশ পেশও করেছিলেন। সোমবার সংসদের দুই কক্ষের অধ্যক্ষ ও চেয়ারম্যান পৃথকভাবে সংবিধানের ৩২৪(৫) ধারা বলে এই নোটিশ অগ্রাহ্য করেছেন।
মূলত পশ্চিমবঙ্গের শাসক তৃণমূল সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে এই প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নেয়। এতে কংগ্রেস-সহ সব বিরোধী দলের সমর্থন পায়। এখানে এসআইআর নিয়ে তৃণমূল প্রথম থেকেই সিইসি-র বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত। কংগ্রেস শীর্ষ নেতা রাহুল গান্ধী সহ ওই দলও একাধিক রাজ্যের ভোটার তালিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ। ফলত এই ইসুতে সব বিরোধী ই প্রস্তাবে সমর্থন করে। তাঁদের আশা ছিল, ভোটের মুখে এই নিয়ে সিইসি ও কেন্দ্রকে যথেষ্ট চাপে রাখা যাবে। তাঁদের এই সম্মিলিত উদ্যোগে কার্যত জল ঢেলে দিলো অধ্যক্ষ ও চেয়ারম্যানের এই সিদ্ধান্ত । স্বাধীনতার পর এই প্রথম সিইসি-কে অপসারণের জন্য প্রস্তাব আনেন বিরোধীরা। গত বার মার্চ নোটিশ আকারে তা জমা পড়ে।
সোমবার এই প্রস্তাব অগ্রাহ্য হয়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ, হতাশ বিরোধীরা। তাঁদের আশা ছিল, অন্তত তাঁরা সংসদে এই প্রস্তাবে বলার সুযোগ পাবেন।
কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ এতে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, রাজ্যসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যানের (জগদীপ ধনখড়) কি হয়েছিল তাঁরা জানেন। উনি বিরোধী সাংসদদের আনা একটি পিটিশন গ্রহণ করেছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বছর আচমকাই সব মহলকে বিস্মিত করে রাজ্যসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা উপ রাষ্ট্র পতি জগদীপ ধনখড় পদত্যাগ করেছিলেন। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন উঠেছিল। তিনি নিজে পদত্যাগ করেছিলেন, না তাঁকে চাপ দিয়ে তা করানো হয়েছিল, এই নিয়ে জোর বিতর্ক বাধে। যদিও ধনখড় এই সব নিয়ে মুখ খোলেননি।
তৃণমূল নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন ও পৃথকভাবে ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, কেন এই প্রস্তাব অগ্রাহ্য হল, তার কোন কারণ বলা হয়নি। বিজেপি সংসদকে উপহাস করছে বলে সমাজমাধ্যমে তিনি তোপ দেগে বলেন, লজ্জা!!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*