বিশেষ বিশেষ সাংসদদের ডেকেছিলাম, সাড়া দিয়েছেন — কাকলিকে নিয়ে মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

Spread the love

রমিত সরকার, নদীয়া : 

নদিয়ার কল্যাণীর এপিজে আব্দুল কালাম প্রেক্ষাগৃহে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হল এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠক। উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া ও হুগলি জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে আয়োজিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর সেই বৈঠক ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। কারণ, বৈঠকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় তৃণমূল কংগ্রেসের ‘বিদ্রোহী’ সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে।

শুধু কাকলি ঘোষ দস্তিদারই নন, এদিন বৈঠকে যোগ দেন দেগঙ্গার সদ্য নির্বাচিত তৃণমূল বিধায়ক আনিসুর রহমান, স্বরূপনগরের বিধায়ক বীণা মণ্ডল, হাড়োয়ার আব্দুল মতিন, বাদুড়িয়ার বুরহানুল মুকাদ্দিম, মিনাখাঁর উষারানি মণ্ডল এবং বসিরহাট দক্ষিণের সুরজিৎ মিত্র-সহ মোট ছয়জন তৃণমূল বিধায়ক। রাজনৈতিকভাবে এই উপস্থিতি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “বিশেষ বিশেষ সাংসদদের ডেকেছিলাম, তাঁরা সাড়া দিয়েছেন।” তাঁর এই সংক্ষিপ্ত মন্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

প্রশাসনিক বৈঠকে মূলত তিন জেলার উন্নয়নমূলক প্রকল্প, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, রাস্তা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও জনপরিষেবা সংক্রান্ত একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার ও উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক আধিকারিকরাও।

তবে প্রশাসনিক বৈঠকের চেয়ে বেশি চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ একাধিক তৃণমূল জনপ্রতিনিধির উপস্থিতি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, আগামী দিনের সমীকরণে এই বৈঠক বিশেষ তাৎপর্য বহন করতে পারে। যদিও তৃণমূলের তরফে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*