থাকবে না অনুপ্রবেশকারী, জনগণের উন্নয়নে তাঁরা বদ্ধপরিকর : মুখ্যমন্ত্রী

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক :

রাজ্যের উন্নয়নে সব জায়গায় জনকল্যাণ শিবির হবে। আফামী ১৫, ১৬, ১৭ জুন এই শিবির হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আজ জানিয়েছেন। কল্যাণীতে তিন জেলার প্রশাসনিক বৈঠকের পর তিনি এই কথা জানান।

প্রাক্তন সরকারের অলিখিত রীতি ভেঙে আজ এই বৈঠকে বিরোধী জনপ্রতিনিধিদেরও আমন্ত্রণ করা হয়। এতে সাড়া দিয়ে তৃণমূলের সাংসদ, বিধায়করা অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গত পাঁচ বছর তাঁরা বিরোধী থাকাকালীন এই ধরনের বৈঠকে ডাক পাননি। তাঁরা চান, নির্বাচনের সময় ছাড়া বাকি সময় সবাই একসঙ্গে উন্নয়নের কাজ করুন।

আজ বৈঠক খুবই ভাল হয়েছে বলে জানান তিনি। বলেন, চালু থাকা ও আগামী তে আসা সব কল্যাণ প্রকল্পের সুবিধা সব মানুষ পাবেন। রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের আটকে থাকা প্রকল্পগুলির সুবিধা ও সবাই পাবেন। রাজ্যে উৎসবের মত যোগ দিবস ও পালিত হবে।

আজ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণাও করেন তিনি। বলেন, আগামী কাল বিকেলে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম প্রকাশিত হবে। যত তাড়াতাড়ি নাম নথিভুক্ত হবে, তত তাড়াতাড়ি সুবিধাও মিলবে। স্বাস্থ্যসাথীকে আয়ুষ্মান ভারতে যুক্ত করা ও লক্ষ্মীর ভান্ডারকে অন্নপূর্ণা যোজনায় আনা হবে।

শুধুমাত্র ভারতীয়রাই এই সুবিধা পাবেন, অভারতীয় রা নয়।

উল্লেখ্য, প্রাক্তন সরকারের আমলে এই সব জন কল্যাণ প্রকল্প অন্য দেশের (বাংলাদেশের!) মানুষরাও পেতেন বলে বারবার অভিযোগ উঠেছে। অনুপ্রবেশ কারী দের আজ ও কড়া বার্তা দেন। বলেন, কেন এখানকার সব ওঁরা ভোগ করবেন!! যত তাড়াতাড়ি অনুপ্রবেশকারীরা নিজেরা চলে যান ভাল বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, মা ক্যান্টিনও চালু থাকবে। সপ্তাহে দুদিন একই দামে মাছ ভাত দেওয়া হবে৷ আপাতত চারশোর কাছাকাছি এই ক্যান্টিন থাকবে।

আয়ুষ দফতরকে স্বাস্থ্য দফতর থেকে আলাদা করার কথাও জানান তিনি।

আমজনতার সমস্যার কথা জানাতে, আপনার সরকারকে বলুন চালু হবে।

আগামী সপ্তাহ থেকে সরকারি বাসে মহিলাদের নিখরচায় যাতায়াত ও শুরু হচ্ছে। এর জন্য পরে কার্ড চালু হবে। আগের জমানায় তৃণমূলের অনেক নেতাও লক্ষ্মীর ভান্ডার পেতেন বলে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সেই সুযোগ এই আমলে মিলবে না৷ পোশাক বদলে, মুখ ঢেকে কেউ সরকারি বাসে উঠে পড়তে পারেন, তাই স্মার্ট কার্ডের ব্যবস্থা হবে।

আজ তাঁর এই প্রশাসনিক বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার সহ তিন জেলার আরও বেশ কয়েকজন টিএমসি বিধায়ক ও ছিলেন। রাজ্যের উন্নয়নে তাঁরা বদ্ধপরিকর জানিয়ে সবাইকেই এতে সামিল করার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী।

 

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*