রোজদিন ডেস্ক :
প্রাক্তন সরকারের আমলে প্রশাসনের সার্বিক বিপর্যয় হয়েছিল বলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আজ মন্তব্য করেন। কোলাঘাটে প্রশাসনিক বৈঠকের পর তিনি বলেন, ভোটের সময় ছাড়া বাকি সময় রাজনীতি তাঁরা করবেন না৷ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী র আমলে এই সব বৈঠকে বিরোধী জনপ্রতিনিধিদের ডাকাই হোত না। রাজ্যের উন্ন্যনের স্বার্থে তাঁরা সবাইকেই ডাকছেন। (তৃণমূলের) বেশির ভাগ জনপ্রতিনিধি এই সব বৈঠকে যোগও দিচ্ছেন। আজ এই বৈঠকে বিজেপির ৩৩ জন সহ ৩৫ জন বিধায়ক ছিলেন।
প্রাক্তন সরকারকে তোপ দেগে তিনি বলেন, থানাগুলো দলের কার্যালয় হয়ে গেছিল, পঞ্চায়েতে শুধু টাকা তোলা হোত৷ টাকা না দিলে পুরসভাগুলিতে বাড়ির পরিকল্পনা সহ কোন কাজই হোত না।
শুধু তাই না, এই ধরনের এক একটি প্রশাসনিক বৈঠকে পাঁচ কোটি টাকা খরচও হোত।
নাম না করে বলেন, (প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী!) হেলিকপ্টারে আসতেন। বিভিন্ন জেলা থেকে প্রচুর পুলিশ আনা হোত। সব মিলিয়ে দেদার এলাহি আয়োজন। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তাঁরা যে এই সব বৈঠক করছেন, সেখানে যতটা দরকার আপ্যায়ন ইত্যাদি করা হয়, খুব বেশি হলে পাঁচ লক্ষ টাকাও খরচ হয় না। আগে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়গুলি দুর্নীতির আখড়া হয়ে উঠেছিল।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আজ এই বৈঠকে বিরোধী জনপ্রতিনিধিরাও ছিলেন৷ একজন বিরোধী সাংসদ (দেব??) তো বলেই ফেললেন, তাঁরা স্বাধীনতা পেয়েছেন।
ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান-সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক বিষয়ে কথা হয়েছে। দৃশ্যত খুশি মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বৈঠক করে তাঁরা খুশি৷ তাঁদের সরকার মানুষের জন্য, তাঁদের জন্যই কাজ করবেন।
এক প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁরা রাজ্যের উন্নয়ন চান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাজে সবাই খুশি। সারা দেশের সঙ্গে এখানেও তা রূপায়িত হবে।
আজ কোলাঘাটে তিন জেলা, দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়্গ্রাম নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সাংসদ দেব, জুন মালিয়া, শিউলি সাহা প্রমুখ এই বৈঠকে যোগ দেন৷

Be the first to comment