রোজদিন ডেস্ক :
বারুইপুরে এনকাউন্টারের তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হোল সিআইডি-কে। এর পাশে সমান্তরাল ভাবে বিচারবিভাগীয় তদন্ত ও হবে বলে সূত্রের খবর।
বারুইপুরের নৃশংস ঘটনায় ধৃতদের অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মন্ডল মঙ্গলবার গভীর রাতে পুলিশের সঙ্গে এনকাউন্টারে প্রাণ হারান বলে পুলিশ দাবি করে। এই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ঝড় ওঠে। বিরোধী পক্ষ এর তীব্র সমালোচনায় মুখর হয়। সমাজ মাধ্যমেও এনকাউন্টার তত্ব নিয়ে তুফান ওঠে। পক্ষে বিপক্ষে চাপের মুখে প্রকৃত ঘটনা খতিয়ে দেখতে সিআইডি-কে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে। নিয়ম অনুসারে সংশ্লিষ্ট থানা এর তদন্ত করতে পারে না। বারুইপুর থানার পুলিশের এক প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার গভীর রাতে ঝোপ ঝাড় সম্বলিত জলা এলাকায় পুকুরের কাছে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে যান বলে দাবি। ওই সময় অভিযুক্ত একজন পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে গুলি করে বলে পুলিশের দাবি। আত্মরক্ষারর জন্য তাঁদের পালটা গুলিতে অভিযুক্ত প্রাণ হারান। যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। নিঝুম রাতে ওই এলাকায় থাকা বাসিন্দারা কেউ গুলির আওয়াজ পান নি বলে জানান। এমনকি নিহতর দেহ কিভাবে কাকভোরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, তার সদুত্তরও মেলেনি বলে প্রকাশ। এবার সিআইডি এই সব নিয়ে তদন্ত করবে।
প্রধান বিরোধী তৃণমূল এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে, সাংসদ মহুয়া মৈত্র এখানে যোগী রাজ কায়েম হচ্ছে বলে সমাজ মাধ্যমে কটাক্ষ করেছেন।
যদিও ক্ষমতায় থাকার সনয় তৃণমূলের সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি, অভিনেতা সাংসদ দেবও এই ধরণের অপরাধীদের এনকাউন্টার করে মারার কথা বলেছিলেন। যা নিয়ে অনেকেই এখন সমাজ মাধ্যম সহ বিঁধছেন তাঁদের।

Be the first to comment