সোমবার দিল্লি যাচ্ছেন মমতা, দাঁড়াতে চান ককরোচদের পাশে

Spread the love

প্রতিবেদন: একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে দাঁড়িয়েই ঘোষণা করেছিলেন। এবার সেই ঘোষণা মতই ককরোচদের আন্দোলনের পাশে দাঁড়াতে দিল্লি যাচ্ছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সব ঠিক থাকলে আগামী সোমবার দিল্লি যাবেন তৃণমূলনেত্রী। দিল্লির যন্তর মন্তরে পড়ুয়াদের আন্দোলনের পাশে দাঁড়াবেন তিনি। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে তৃণমূলনেত্রীর দিল্লি যাত্রা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে। দিল্লির বুকে সিজেপির প্রতিবাদ আন্দোলনে নেত্রীর উপস্থিতি যে অন্য মাত্রা যোগ করতে চলেছে তা বলাই বাহুল্য। এর আগে একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে নেত্রী বলেন, দিল্লিতে সিজেপির আন্দোলনকারীদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে। প্রয়োজনে তাদের সমর্থনে দিল্লিও যাবেন। শহিদ স্মরণ অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরেই নেত্রী যাচ্ছেন দিল্লি। নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, দোষীদের দ্রুত শাস্তি ও মৃতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর দাবিতে ছাত্রদের আন্দোলনে উত্তাল দেশের রাজধানী। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, প্রথম থেকেই আমি পড়ুয়াদের আন্দোলনের পাশে রয়েছি। ওদের লড়াই শুধু নিটের প্রশ্নফাঁস এবং দোষীদের শাস্তির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎকে সুদৃঢ় করার লড়াই। দিল্লি পুলিশ যেভাবে পাশবিক ভঙ্গিতে পড়ুয়াদের উপর হামলা চালিয়েছে, তা কখনই মেনে নেওয়া যায় না। ওদের ন্যক্কারজনকভাবে মারা হয়েছে। লাঠিচার্জ করা হয়েছে। বন্দুক থেকে পেলেট ছোঁড়া হয়েছে। এমনকী টিয়ার গ্যাসও বাদ যায়নি। ওদের দোষটা কোথায়? ভবিষ্যৎ ধুলোয় মিশে যাওয়ার পর বিচার চাওয়া কি অন্যায়?

বিজেপি সরকার এই আন্দোলনকে ভয় পেয়েছে। শান্তিপূর্ণ আন্দোলন। সেখানে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা আইনে পড়ুয়াদের আটক করা শুরু হয়েছে। কোন পড়ুয়া? যারা দেশের ভবিষ্যৎ। প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় এসে বলেছিলেন দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না। কিন্তু কেন্দ্রের তদন্তকারী এজেন্সি সিবিআই বৃহস্পতিবারই জানিয়েছে, ২০২৪ সালের নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের পান্ডার বিরুদ্ধে নাকি কোনও তথ্য প্রমাণই পাওয়া যায়নি! আসলে অপরাধীদের প্রশ্রয় দিচ্ছে বিজেপি সরকার। নষ্ট করছে দেশের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ। সরকার মরিয়া হয়ে শিক্ষামন্ত্রীকে আড়াল করছে। দেশের মানুষের বহু প্রশ্ন, অথচ তার একটিরও উত্তর দিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, দেশের সমস্ত বিরোধী দলগুলি পড়ুয়াদের আন্দোলনের পাশে রয়েছে। আমিও পড়ুয়াদের স্যালুট জানাচ্ছি। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে ওরা লড়াই করছে। পুলিশের শত অত্যাচারেও পিছু হটেনি। ওদের জন্য আমি গর্বিত।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*